আট হাজার ভবন মালিকের বিরুদ্ধে রাজউকের ব্যবস্থা

আপডেট : ১৯ জুন ২০১৩, ২১:২১
ভবন নির্মাণের নীতিমালা অনুসরণ না করায় রাজউক আট হাজার ভবন মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বুধবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হলে টেবিলে উপস্থাপন করা প্রশ্নোত্তর পর্বে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান সংসদকে এ কথা জানান। বেগম তহুরা আলীর প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজধানীতে আট হাজার ভবন মালিকের বিরুদ্ধে ইমারত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আর কর্তব্যে অবহেলার জন্য ইতিমধ্যে রাজউকের পাঁচজন কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অপরদিকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রামে ভবন নির্মাণে নীতিমালা অনুসরণ না করায় প্রায় ২০০ জন মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্তব্য কাজে অধিকতর যত্নবান হওয়ার জন্য মৌখিক ও লিখিতভাবে সতর্ক করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, রাজশাহীতে এ পর্যন্ত সেমিপাকা ও পাকা শ্রেণীর প্রায় চার হাজার ভবন মালিককে নীতিমালা অনুসরণ না করায় রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কারণ দর্শনো নোটিস দিয়েছে। এছাড়া অধিকাংশ ইমারতের নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে এবং ৭০০ মালিককে নিয়ম বহির্ভূত নির্মাণ অপসারণের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। বেগম ফরিদুন্নাহার লাইলীর প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজধানীর গুলশান-বনানী-বারিধারা ও ধানমন্ডি আবাসিক এলাকায় যে সব আবাসিক প্লটে অননুমোদিত ও অবৈধভাবে বাণিজ্যিক ব্যবহার করা হচ্ছে তা বন্ধে রাজউক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। ছাত্রী উপবৃত্তি : মো. জাকির হোসেনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা মন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ জানান, চলতি অর্থবছরে স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের ছাত্রীদের ৭৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা উপবৃত্তি প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী ৩০ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন। আর সারাদেশে উপবৃত্তি পাবে এক লাখ ৩৩ হাজার ৭২৬ জন ছাত্রী। কোচিং বাণিজ্যের সাজা: মোহাম্মদ শাহআলমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা মন্ত্রী জানান, কোচিং বাণিজ্যের সাথে যেসব শিক্ষক-শিক্ষিকা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৫ জন সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ: সাধনা হালদারের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ ২১৩টি এবং সহকারী প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ হচ্ছে ১২৩টি। পদোন্নতির মাধ্যমে শতকরা ৮০ ভাগ এবং সরাসরি ২০ ভাগ পদ পূরণ করা হয়।