আপনার বর্তমান ব্যস্ততা সম্পর্কে বলুন।
অনেকগুলো ধারাবাহিক নাটকের কাজ চলছে। এর মধ্যে চ্যানেলে প্রচার হচ্ছে এনটিভিতে ‘ভালোবাসার চতুষ্কোণ’, আরটিভিতে ‘কুটুম আসছে’। খুব শীঘ্রই দেখা যাবে ‘গ্যাংস্টার’, ‘স্বপ্নগুলো জোনাকপোকার মতো’, ‘সোনার সুতো’, রানার ‘দাগ’।
ঈদের কাজ কী কী করলেন?
এরইমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। অনেকগুলো খণ্ড নাটকের কাজ করলাম। শুটিং শেষ হওয়া নাটকের মধ্যে ‘গ্যাংস্টার’ নাটকটি একেবারে ভিন্নধর্মী।
এর বাইরে কী করছেন?
এই তো অভিনয়ের বাইরে টুকটাক গান করছি। নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সেটা তো একেবারেই আলাদা বিষয়। এর মধ্যে নতুন খবর হলো সম্প্রতি একটি নাটক পরিচালনা করেছি। ‘ব্যাক ডেটেড’ শিরোনামের এই নাটকটি খুব শীঘ্রই চ্যানেলে প্রচার হবে।
এখন তো অভিনয় থেকে অনেকেই মাঝে মাঝে গান করেন এবং এক পর্যায়ে এসে অ্যালবামও প্রকাশ করেন। এ ধরনের কোনো লক্ষ্য আছে কী?
ইচ্ছা করলেই তো আর হবে না। ইচ্ছা তো করে আসলে সবকিছু করতে। কিন্তু প্রত্যেকটি জিনিস করার পেছনে অনেক সাধনা, পরিশ্রম ও প্রস্তুতি থাকে। যখন একটি অ্যালবাম প্রকাশের স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে পারব তখনই জানাব। এর বাইরে যদি সুর, কথা ও কম্পোজিশন পছন্দ হয় তাহলে নিয়মিত নাটকের জন্য চলচ্চিত্রের জন্য গান করার ইচ্ছা আছে।
আপনার ও ইশানার প্রেম বিষয়ক একটি খবর আছে। এ বিষয়ে কী বলবেন?
এক কথায় নো কমেন্টস...। আসলে বলেও কোনো লাভ নেই তাই বলতেও চাই না। নো কমেন্টস...।
কিছুদিন আগে একটি চলচ্চিত্রে কাজের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন, পরবর্তীতে আর করা হয়নি। এর কারণসহ নতুন চলচ্চিত্রে আপনার কাজ প্রসঙ্গে কিছু বলুন।
আসলে ওই ফিল্মটার কোনো চুক্তিই আমার সঙ্গে হয়নি। আমাকে শুধু মৌখিকভাবে বলা হয়েছিল। কী আমার চরিত্র, স্ক্রিপ্ট কী কিছুই জানতাম না। নেগেটিভ চরিত্র হলে করব না। পড়ে আর করা হয়নি, মাঝখান থেকে শুনলাম আমি নাকি বাদ। ভেবেই পাই না যুক্ত হলাম কখন আর বাদই হলাম কখন। আর নতুন চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে বলতে গেলে—দুর্ভাগ্যের কথাই বলব। ভালো স্ক্রিপ্ট এখনও হাতে এসে পৌঁছায়নি। একটা ফিল্ম করতে হবে তাই করে ফেললাম, এই কাজটাতে আমি কখনোই বিশ্বাসী নই। বড় পর্দা মানে বড় পর্দাই। এমন কিছু নিয়ে নামা উচিত যা নিজের কাছে এবং সবার কাছে ভালো লাগবে। গ্রহণযোগ্যতার একটা ব্যাপার আছে। আর আমার বর্তমান অবস্থান থেকে তাড়াহুড়োর এখনও কিছু নেই।
নেগেটিভ চরিত্রে কাজ করতে অনাগ্রহী কেন?
নাটকে নয়, ফিল্মে নেগেটিভ চরিত্রে কাজ করতে অনাগ্রহ আছে। নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই, শুধু করতে চাইব না কখনও।
কিছু কিছু পরিচালক ও চ্যানেল এখন ভারতীয় নাটকের আদলে নাটক নির্মাণ করছে। এই প্রবণতা সম্পর্কে কী বলবেন?
আমার মনে হয়, এটা বিজনেসের জায়গা। চ্যারিটি করতে কেউ আসে না। আমাদের বিজ্ঞাপনের ভিড়ে দর্শকরা চলে যাচ্ছে। সেই দর্শকদেরকেই হয়তো ফিরিয়ে আনার জন্য পরিচালক ও চ্যানেলওয়ালারা এই উদ্যোগ নিয়েছে। তারপরও আমি জোর গলায় বলতে পারব ভারতীয় নাটকের চেয়ে আমাদের নাটকের মান আগেও অনেক বেশি উন্নত ছিল, এখনও আছে। দর্শক ফেরানোই যদি হয় তাদের মূল উদ্দেশ্য তাহলে দেখা যাক কী হয়।
