যমুনার করালগ্রাসে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চন্দনবাইশা ইউনিয়নের শেষ চিহ্নটুকু মুছে যাচ্ছে। গত বছর চন্দনবাইশা ডিগ্রী কলেজ, ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, জমিদার প্রমদা নাথ রায় বাহাদুর প্রতিষ্ঠিত নওখিলা পিএন উচ্চ বিদ্যালয়সহ চন্দনবাইশা বাজারের অর্ধেক অংশ যমুনার গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। নদী ভাঙনে এবার বাজারের অবশিষ্ট অংশসহ আয়েশা ওসমান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হুমকির মুখে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন রোধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় ওই এলাকার ঘুঘুমারীসহ কুতুবপুর ইউনিয়নের কুতুবপুর, কর্নিবাড়ী, বড়ইকান্দি, কামালপুর ইউনিয়নের কামালপুর, রোহাদহ, ইছামারা, গ্রামের লোকজনের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। নদী ভাঙন আতংকে ওই এলাকা থেকে প্রতিদিনই অসংখ্য বাড়ি-ঘর নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। চন্দনবাইশা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ জিয়াদুল ইসলাম জিহাদ, আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক অধ্যক্ষ ছাদত হোসেন অভিযোগ করে বলেন, শুষ্ক মৌসুমে নদী ভাঙন রোধে কাজ না করায় এই এলাকার হাজার হাজার মানুষ এখন চরম আতংকে দিন কাটাচ্ছে। এ ব্যাপারে পাউবো বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম সরকার জানান, কয়েক মাস আগে ওই এলাকায় ভাঙন রোধে ডিপিপি বোর্ডে পাঠানো হয়েছে। ডিপিপি অনুমোদন হলে ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
