প্লেনে করে একবার কোথায় যেন যাচ্ছিলেন দুনিয়া কাঁপানো মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী। তো বিমান উড্ডয়নের সময় যথা নিয়মেই এক কেবিন ক্রু এসে মোহাম্মদ আলীকে অনুরোধ করলেন যেন তিনি তার সিটবেল্টটি বেঁধে নেন। কিন্তু মোহাম্মদ আলী এই অনুরোধের তোয়াক্কা না করে হাসিমুখেই বললেন, ‘শোনো, সুপারম্যানদের কখনও সিটবেল্ট বাঁধতে হয় না!’ তবে তার এই কথায় বিন্দুমাত্র দমে না গিয়ে কেবিন ক্রু মেয়েটিও চট করে উত্তর দিলেন, ‘কিন্তু স্যার, সুপারম্যানদের তো বিমানে চড়ারও দরকার হয় না। যেখানে প্রয়োজন তারা সেখানে উড়েই চলে যেতে পারে!’ বলা বাহুল্য, মেয়েটির এই কথা শুনে একটু মন খারাপ করে হলেও সিটবেল্টটি সাথে সাথে বাঁধতে বাধ্য হয়েছিলেন মুষ্টিযোদ্ধা আলী।
সাজাপ্রাপ্ত এক ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী চতুর্থবারের মতো ধরা পড়ার পর তার স্ত্রী গেছে হাজতখানায় স্বামীর সাথে দেখা করতে-
স্ত্রী :কাল তোমাকে যে বড় একটা কেক পাঠিয়েছিলাম সেটা খেয়েছ?
সন্ত্রাসী স্বামী :আরে নাহ! কাল তো কারা কর্তৃপক্ষের খারাপ আচরণের প্রতিবাদে আমি ও আমার সহযোগীরা অনশন করেছিলাম।
স্ত্রী :ইশ! সর্বনাশ হয়ে গেল!
স্বামী :কি অদ্ভুত! একটা কেক না খাওয়ায় কী এমন সর্বনাশ হলো শুনি?
স্ত্রী :আমি যে ঐ কেকের মধ্যেই লোহার গরাদ কাটার ব্লেডটা পাঠিয়েছিলাম!
রাগে ক্ষিপ্ত হয় বড়কর্তা তার কর্মচারীকে বলছেন-
বড়কর্তা :আপনি হচ্ছেন বিশাল এক গাধা! গাধা দেখেছেন কখনও?
কর্মচারী (মাথা নিচু করে) :জ্বি না স্যার।
বড়কর্তা :মাথা নিচু করে আছেন কেন? আমার দিকে দেখুন!
শিক্ষক :বিল্টু, তোর হাতের লেখা এত বাজে যে ৫-কে ৬-এর মতো দেখাচ্ছে।
বিল্টু :কিন্তু স্যার, আমি তো ওটা ৬-ই লিখেছি!
শিক্ষক :ও! তাহলে তোর ৬টাকেই আসলে ৫-এর মতো দেখাচ্ছে!
