ডিএনডির পানি নিষ্কাশনের প্রধান খালগুলো দিয়ে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক থাকলেও শাখা খালগুলো ময়লা আবর্জনায় সয়লাব ও অবৈধ দখলের কারণে প্রয়োজনের তুলনায় সংকীর্ণ থাকায় অনেক এলাকার পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান। তবে মহাসেন এর প্রভাবে চলা বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকারে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা অনেকে।
সূত্রমতে, অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর, মিল, কল-কারখানা, অফিস, আদালত ব্যাংক, বীমা, স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা নির্মাণ করতে গিয়ে যে যেভাবে পেরেছে ডিএনডির পানি নিষ্কাশনের খালগুলো বেদখল করে ফেলেছে। এ খালগুলো দিয়ে ডিএনডির ভেতরে বর্ষার সময় জমে থাকা পানি প্রধান নিষ্কাশন খালে এসে জমা হয়। এবং প্রধান নিষ্কাশন খাল দিয়ে ডিএনডির ভেতর জমে থাকা অতিরিক্ত পানি শিমরাইলস্থ পাম্প হাউজের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন পাম্প দ্বারা নিষ্কাশন করে শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলা হয়।
এ বিষয়ে শিমরাইলের ডিএনডি পাম্পহাউসের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার গোলাম সারোয়ার জানান, ডিএনডি সেচ ক্যানেলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়টি ঢাকা অফিসের কাজ। কি কারণে উচ্ছেদ হচ্ছে না তা তিনি জানেন না। তবে পাম্প হাউসের মুখে সেচ খালটি দখল হয়ে যাওয়ায় পাম্প হাউসে পানি খুবই কম প্রবেশ করছে। পানি কম আসার কারণে বর্তমানে পাম্প বন্ধ রয়েছে। তিনি আরো জানান, খালের মধ্যে ময়লা ফেলার কারণে পাম্পের মাধ্যমে পানি নির্গত করতে সদস্যা হয়।
ডিএনডির মোট আয়তন ৩২ দশমিক ৮ বর্গকিলোমিটার। সূষ্ঠভাবে সেচ দেয়া এবং পানি নিষ্কাশনের জন্য কর্তৃপক্ষ ৯টি সেচ খাল, ৯টি ডিটিও খাল, ২১০টি আউট লেক, ৮৫ বন্দি অনুসারে ১০টি নিষ্কাশন খাল তৈরি করা হয়।
