সিরাজগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মোট ১১ জন নিহত হয়েছে। জেলায় গতকাল মঙ্গলবার শিশুসহ একই পরিবারের ৭ জন নিহত হয়। এছাড়া পৃথক দুই ঘটনায় গত সোমবার নিহত হয় আরো ৪ জন। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন—রিপন (৩০), আমিনুল (৪০), বাবু (২৫), শেফালী খাতুন (৪০), সুমাইয়া খাতুন (৬), উজ্জল হোসেন (৩০), ওয়াজেদা খাতুন (২৫), রেজাউল (৩৫), আবুল কালাম (৪০) ও চন্দনা নট্ট (২৩)।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) খায়রুজ্জামান জানায়, উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী একটি ট্রাক গতকাল দুপুরে হাটিকুমরুল- বগুড়া মহাসড়কের সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার ঘুড়কা বাজার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক পরিবারের শিশুসহ ৭ জন নিহত হয়। অপর একজন হয় গুরুতর আহত।
অপরদিকে গত সোমবার ভোরে একটি সিএনজি অটোরিক্সা যাত্রী নিয়ে সদর উপজেলার বনবাড়িয়া থেকে কড্ডার মোড় স্ট্যান্ডে যাচ্ছিল। এ সময় কোনাগাতি এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সাথে সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ বাধে। এতে ঘটনাস্থলে সিএনজি অটোরিক্সা চালক আবুল কালাম ও যাত্রী রেজাউল নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় অজ্ঞাত অপর এক যাত্রীকে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যায়। এদিকে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার আলমপুর গ্রামে গত ৩ জুন বরযাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় আহত চন্দনা নট্ট (২৩) চিকিত্সাধীন অবস্থায় গত সোমবার সকালে মারা যান।
বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাসদস্য নিহত
বগুড়া প্রতিনিধি জানান, জেলার শাজাহানপুরে গতকাল সকালে বাসের ধাক্কায় জাহিদ হোসেন নামের এক সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। বগুড়া-ঢাকা মহাসড়কে শাজাহানপুরের আড়িয়াবাজার বন্দরে একটি বাসের ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে বগুড়া সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত জাহিদ হোসেন ৯৩আর্মার ব্রিগেডের সার্জেন্ট পদে বগুড়া সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা গতকাল রাস্তায় গতিরোধক নির্মাণের দাবিতে প্রায় দেড়ঘন্টা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এ সময় ৩টি বাস ভাংচুর করা হয়।
