প্রিয় আসরের বন্ধুরা,
প্রাণের গভীর থেকে একটুখানিক অভিবাদন। আশাকরি সবাই ভালো আছো। ছোট্ট একটা গল্প বলি তোমাদের। ছোট্ট একটা চঞ্চলা বৃষ্টি পাগল মেয়ে হাবীবা। বৃষ্টি এলে বৃষ্টি ভেজার আনন্দ যেন তাকে ঘরে থাকতে দেয় না। মায়ের কড়া শাসন উপেক্ষা করে রিমঝিম ধারাতে ভিজে অসুখ বাধিয়েছে। জ্বর, সর্দি, মাথা ব্যথা। মাথায় কাপড় ভিজিয়ে পট্টি দিয়েছে। মা নীরবে বলছে, আমি বারবার বারন করা সত্ত্বেও তুমি ভিজেছ। তোমার আব্বু এসে বকা দিবে আজ। সকালে অসুখটা বেশ হালকা হয়েছে হাবীবার। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হচ্ছে। জানালার পাশে বসে হাবীবা বৃষ্টি দেখছে। সে কি আনন্দ তার। মনে হয় এখন ভিজবে। বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অসুখ। হাবীবার মা এর মধ্যে তাকে পাকা ফল থালাভর্তি করে এনে দিল। আম, জাম, লিচু দেখে হাবীবা খুশিতে আত্মহারা। মনে মনে ভাবছে ঘরে বসে পাকা পাকা ফল খাবো আর রিমঝিম বৃষ্টি দেখবো। অসুখ হয়েছে তো কিছু ঘরে বসেই কত আনন্দ হবে আমার। আসরের বন্ধুরা বর্ষাকাল তো এসেই গেলো। খাল-বিলে নতুন বান এসেছে। পথ-ঘাট ডুবে মানুষের কতো সমস্যাই না সৃষ্টি হবে। তোমরা যেন এই বৃষ্টি ভিজে হাবীবার মতো অসুখ বাধিয়ে নিও না। তাহলে পড়ার ক্ষতি হবে। নতুন জলের বান থেকে সাবধান থেকো। সবাই ভালো থেকো।
জাহাঙ্গীর হোসেন বাদশাহ,
সদস্য নম্বর: ১৮৮২
জালালপুর, এনায়েতপুর, সিরাজগঞ্জ।
