বিষাক্ত ফল নিয়ে বিশেষজ্ঞ ও ব্যবাসয়ীদের ভিন্নমত

আপডেট : ২৬ জুন ২০১৩, ২২:৫৮
বিষাক্ত ফল নিয়ে বিশেষজ্ঞ ও ফল ব্যবসায়ীরা ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছেন । বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা বলেছেন, বিষাক্ত ফল খেলে ক্যান্সার, কিডনি, লিভারসহ মরণব্যাধি হওয়ার আশংকা বেশি। হাবা-গোবা, বিকলাঙ্গ শিশু জন্মগ্রহণের হার বৃদ্ধির এটাই অন্যতম কারণ। মোবাইল কোর্ট ও পরীক্ষাগারে বিশেষজ্ঞ বলেছেন, বাজারজাতকৃত ফলে পরীক্ষা করে কেমিক্যাল ও ফরমালিন পাওয়া যাচ্ছে। যা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাদের এই পরীক্ষা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বলে দাবি করেন। পক্ষান্তরে আপেলসহ বাজারজাতকৃত ফলে কোন রাসায়নিক মেশানো হয়নি। ঢাকা মহানগর ফল ব্যবসায়ী আমদানি-রপ্তানিকারক ও আড়তদার ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম গত ২৪ জুন দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত “রাসায়নিক ছাড়া একটি আপেল পাওয়া যাবে না বাজারে” শীর্ষক সংবাদের এক প্রতিবাদে বলেছেন যে, ভারত, ভুটান, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, চিলি, সাউথ আফ্রিকা, আর্জেন্টিনা, আমেরিকা, চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আপেল বিভিন্ন সময় উত্পাদিত হয়ে থাকে। এসব দেশের ফল বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও আমদানি করে থাকে। এদেশের বাণিজ্য নীতিমালা মেনেই আপেলসহ বিভিন্ন ফল আমদানি করা হয়। আমদানির পর ফলে রাসায়নিক ও ফরমালিন স্প্রে করা হয় না বলে তিনি দাবি করেন। প্রকাশিত সংবাদ সঠিক নয় বলে তিনি প্রতিবাদে উল্লেখ করেন। র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার পাশা ও বিএসটিআইয়ের সহকারী পরিচালক এসএম আবু সাঈদ বলেন, বাজারজাতকৃত ফলে অভিযান চালিয়ে ও পরীক্ষা করে রাসায়নিক ও ফরমালিন থাকার প্রমাণ মেলেছে। শত শত মণ ফল ধ্বংস করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিএসটিআইয়ের পরীক্ষার মান আন্তর্জাতিক বলে কর্মকর্তা জানান।