৭ম দ্বি-বার্ষিক আন্তর্জাতিক শিশু-চিত্রকলা প্রতিযোগিতায় এবছর ৬টি গ্রুপে ৮৫ জন শিশুকে পুরস্কৃত করেছে বাংলাদেশ শিশু একাডেমী। প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ড প্রিকস্ পুরস্কার পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশের শিশু-চিত্রশিল্পী রুমানা পারভীন তানি। প্রতিযোগিতায় স্থান পাওয়া ছবিগুলোর প্রদশর্নীর উদ্বোধন করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। তিনি শুক্রবার বিকালে বাংলা একাডেমীর আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিশুদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এসময় শিশুদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল আহাদ। শিশু-চিত্রকলা প্রদর্শনী আগামী ৮ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। শিশু একাডেমীর শিশু-চিত্রশালায় দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
গতকাল প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেহের আফরোজ বলেন, চিত্রকলার মাধ্যমে শিশুদের মনের ভাবনা ফুটে ওঠে। তিনি অভিভাবকদের শিশুদের প্রতি মনোযোগী ও সচেতন হওয়ার আহবান জানান। যাতে করে শিশুরা তাদের সৃজনশীলতার বিকাশে কোন ধরনের বাধার সম্মুখিন না হয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বরেণ্য চিত্রশিল্পী হাশেম খান বলেন, আমাদের শিশুরা বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে দেশের সম্মান বয়ে আনছে।
এ বছর এই প্রতিযোগিতায় সর্বমোট ১৩টি দেশ অংশগ্রহণ করেছে। দেশগুলো হচ্ছে- বেলারুশ, কলম্বিয়া, ভুটান, চীন, হংকং, ইজিপ্ট, ইন্ডিয়া, জাপান, মরক্কো, রাশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ইউ.এ.ই. ও বাংলাদেশ। ৬ হাজার ১৯১টি ছবির মধ্যে ৩৯৪টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। জুরি বোর্ডের মধ্যে ছিলেন শিল্পী হাশেম খান, রফিকুন নবী, আবুল বারক্ আলভী ও ড. ফরিদা জামান।
