গ্রামীণ ব্যাংক কমিশন নিয়ম ভেঙ্গে কর্মশালা আয়োজন করছে

আপডেট : ২৯ জুন ২০১৩, ২২:১০
গ্রামীণ ব্যাংকের ভবিষ্যত্ কাঠামো সম্পর্কে কর্মশালা ‘নিয়ম ভেঙ্গে’ আয়োজন করছে গ্রামীণ ব্যাংক কমিশন। আইনানুযায়ী বৈধ না হওয়ায় এ কর্মশালা বাতিল করার দাবি জানিয়েছেন গ্রামীণ ব্যাংক রিভিউ কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে মনোয়ার উদ্দীন আহমেদ। এ কর্মশালা গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে বিদ্যমান পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলবে বলে মন্তব্য করেছেন আইনজ্ঞরা। আগামী ২ জুলাই ‘গ্রামীণ ব্যাংকের ভবিষ্যত্ কাঠামো : কিছু বিকল্প’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করেছে গ্রামীণ ব্যাংক কমিশন। কমিশনের এ উদ্যোগকে দেশের দ্যা কমিশন অব এনকোয়ারি অ্যাক্ট-১৯৫৬-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন উল্লেখ করে কর্মশালায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না বলে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন রিভিউ কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান। গত ২৭ জুন প্রেরিত ঐ চিঠিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এ কে মনোয়ার উদ্দীন আহমেদ বলেন, পেনাল কোডের ১৯৩ এবং ২২৮ ধারা মোতাবেক কমিশন হিসেবে আপনাদের যে কোনো পদক্ষেপ বিচারিক পদক্ষেপ-প্রক্রিয়ার অংশ। ১৯৫৬ সালের দ্যা কমিশন অব এনকোয়ারি অ্যাক্টের অধীনে গঠিত গ্রামীণ ব্যাংক কমিশন বিধির লঙ্ঘন এটি। এ অবৈধ কর্মশালা যেন অনুষ্ঠিত না হয়, সেজন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি। এ প্রসঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংক রিভিউ কমিটির সাবেক সদস্য আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহসিন রশিদ পেনাল কোডের ১৯৩ এবং ২২৮ ধারার ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, কমিশনটি ১৯৫৬ সালের কমিশন অব এনকোয়ারি অ্যাক্ট দ্বারা গঠিত হয়েছে। তাই এ ধরনের কোনো কমিশন কোনো ধরনের সেমিনার বা কর্মশালা আয়োজন করতে পারে না। কমিশনের কাজ হলো দায়িত্বপ্রাপ্ত বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি করে সরকারকে দেয়া। এ কমিশন প্রতিবেদনের সাথে অর্থ মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ দিতে পারে। কর্মশালা আয়োজন তাদের দায়িত্ব নয়। এটি আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।