কুইক রেন্টাল বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপন না হলে জিডিপির অর্জন দশমিক ৮ ভাগ কম হতো

আপডেট : ২৯ জুন ২০১৩, ২৩:২১
বাংলাদেশ ইনিস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) এক গবেষণায় বলেছে, কুইক রেন্টাল বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপন করা না হলে জিডিপির অর্জন দশমিক ৮ ভাগ কম হতো। এক ইউনিট বিদ্যুত্ অন্য কোন উপায়ে সংগ্রহ করতে হলে ২৬ দশমিক ৭৩ টাকা খরচ হয়। মূলত ভর্তুকি দিয়ে বিদ্যুত্ উত্পাদন হলেও তার কয়েকগুণ অর্থনীতিতে যোগ হয়। শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বিআইডিএস আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় এ গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। বিআইডিএস-এর মহাপরিচালক মোস্তফা কে. মুজেরী এবং তাহরিন চৌধুরী যৌথভাবে গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। এতে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তৌফিক ই ইলাহী চৌধুরী। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অর্থনীতিবিদ এমএম আকাশ, বাংলাদেশ পলিসি রিসার্স-এর নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর, দেশ এনার্জির স্বত্ব্বাধিকারী আনিসুল হক। বিআইডিএস গবেষণা প্রতিবেদনে বলছে, প্রতি ইউনিট বিদ্যুত্ প্রদানে অর্থনীতিতে স্বল্প এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবের সৃষ্টি হয়। তবে প্রতিবেদনে দেখানো হয়, রেন্টাল বিদ্যুত্ কেন্দ্রের প্রভাবে বিদ্যুতের উত্পাদন খরচ বেড়ে গেছে। আলোচনায় ড. তৌফিক ই ইলাহী চৌধুরী বীর বিক্রম বলেন, ভবিষ্যতে কুইক রেন্টাল বিদ্যুত্ কেন্দ্র নিয়ে কি করা হবে তা নির্ধারণে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। জ্বালানি সংকটের কারণে কুইক রেন্টালের কোন বিকল্প ছিল না। এক ইউনিট বিদ্যুত্ না দিলে তার জন্য ২৬ থেকে ৩৫ টাকা পর্যন্ত ক্ষতি হতো। ৩০ ভাগ তরল জ্বালানি ভিত্তিক বিদ্যুত্ কেন্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।