শিক্ষক :তোমার লজ্জা করল না, তোমার চেয়ে কমবয়সী একটা ছেলেকে এমনভাবে মারতে? এখনই এমন হলে বড় হয়ে কি হবে?
ছাত্র :কেন স্কুলের শিক্ষকরাও তো তাদের চেয়ে কমবয়সী ছেলেদের মারেন!
স্যার :আচ্ছা পিন্টু, তুই বড় হয়ে কি হতে চাস?
পিন্টু :স্যার, আমি বড় হয়ে দাঁতের ডাক্তার হতে চাই।
স্যার :কিন্তু এতকিছু থাকতে তুই দাঁতের ডাক্তার হতে চাস কেন? তুই তো হার্ট বা কিডনির ডাক্তারও হতে পারিস।
পিন্টু :স্যার, মানুষের হার্টতো একটা, আর কিডনি দুটো। কিন্তু দাঁত কম করে হলেও ত্রিশ থেকে বত্রিশটার কম না!
রোগী :ডাক্তার সাব, আপনি বলেছেন চশমা নিলে আমি পড়তে পারব।
ডাক্তার :কেন? এ বিষয়ে আপনার কোনো সন্দেহ আছে?
রোগী :না মানে আমি তো আগে পড়তে জানতাম না! তাই ভাবছি শুধু একটা চশমা নিলেই যদি পড়া যায় তাহলে লোকে এত কষ্ট করে স্কুলে ভর্তি হয় কেন!
এক লোক তার গরুকে নিয়ে গেল গ্রামের এক পশু ডাক্তারের কাছে—
লোকটি ডাক্তারকে জানাল, ‘ডাক্তার সাহেব, আমার গরুটার পায়ে সমস্যা হয়েছে। মাঝেমধ্যে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটে। আবার মাঝেমধ্যে ঠিক করে হাঁটে। এখন কী করি বলুন তো?’
সব শুনে ডাক্তার বললেন, ‘এক কাজ করুন। গরুটা যখন ঠিকমতো হাঁটে তখন সেটাকে বেচে দিন।’
:ভাই, একটা টাকা দিবেন! বাড়ি যাব, টাকা-পয়সা নাই।
:ভাংতি যে নেই। সব পাঁচশ টাকার নোট।
:ওটা দিলেও চলবে। ট্যাক্সি করেই না হয় বাড়ি যাব।
