অস্বাভাবিকভাবে জমির মূল্য নির্ধারণ করায় দাউদকান্দির পেন্নাই এবং নোয়াগাঁও মৌজার জমি ক্রয়-বিক্রয়ে মারাত্মক ভাটা পড়ছে। পেন্নাই এবং নোয়াগাঁও মৌজায় অবস্থিত গৌরীপুর বাজারের হোমনা সড়ক ও ব্যস্ত গলিগুলোতে প্রতি শতাংশ দোকানভিটি ১ কোটি টাকায় বিক্রয় হলেও পেন্নাই মৌজারই চরমাহমুদ্দী-পাঁচানী, হারিয়ালা ও দৈয়াপাড়া গ্রামে প্রতি শতাংশ জমি বিক্রয় হয় মাত্র ১২/১৩ হাজার টাকায়। স্থানীয় সাব-রেজিস্ট্রার অফিস গৌরীপুর বাজারের ব্যস্ত গলির জায়গার মূল্য গড় করে সমস্ত মৌজার গ্রামগুলোতে জমির মূল্য নির্ধারণ করায় জমি ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ হয়ে গেছে। সাব-রেজিস্ট্রার অফিস উল্লেখিত গ্রামগুলোর প্রতি শতাংশ ভিটি বাড়ির মূল্য নির্ধারণ করেছে ৪ লাখ ৬ হাজার টাকা এবং নাল জমির মূল্য নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। এই গ্রামগুলোতে জমির মূল্যের চেয়ে রেজিস্ট্রেশন খরচ ৪/৫ গুণ অধিক হওয়ায় জমি ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ হয়ে গেছে। জমি ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদেশগামী লোকজন এবং বিশেষ প্রয়োজনে জমি বিক্রয়ে আগ্রহী লোকজন বিপাকে পড়েছে। বাজার এবং এর পার্শ্বের জায়গার মূল্যের সাথে গড় না করে গ্রামগুলোর বেলায় আলাদাভাবে মূল্য নির্ধারণ করা হলে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে অভিজ্ঞ মহল বলছে।
