প্রার্থীদের পদচারণায় মুখর আড়াইহাজার ও গোপালদী

আপডেট : ৩০ জুন ২০১৩, ২২:০১
নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠছে আড়াইহাজার ও গোপালদী পৌর এলাকা। বৃষ্টি উপেক্ষা করে রিবামহীন প্রার্থীদের প্রচারণায় উত্সব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে ২ পৌর নির্বাচনী এলাকা। অন্যদিকে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের আচরণ বিধি লঙ্ঘনের হিড়িক পড়েছে। তবে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না নির্বাচন কমিশন। জানা গেছে, আড়াইহাজার পৌর নির্বাচনে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ৭ জন আওয়ামী লীগের এবং ১ জন বিএনপির, আর বিএনপির বিদ্রোহী ৩ জন। এর মধ্যে ১ জনকে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি। বাকি বিদ্রোহী প্রার্থী কবির ও সেলিম দল থেকে সমর্থন না পাওয়ায় ভোটাররা মুখ ফিরে নিয়েছে তাদের কাছ থেকে। বিএনপির প্রার্থী পারভীন আক্তার দলীয় সমর্থন পাওয়ায় খোশ মেজাজে রয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে দলীয় নেতা-কর্মীরা মাঠে নেমে পড়েছেন তার পক্ষে। গতকাল রবিবার তার পক্ষে প্রচারে নামেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খাইরুল কবির খোকন, সাবেক এমপি আতাউর রহমান খান আঙ্গুর, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বদরুজ্জামান খান খসরু, যুব দলের কেন্দ্রীয় নেতা এএফএম ইকবাল, বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন অনু, শরিফুল ইসলাম, মাসুদ পারভেজ, সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল্লাহ মিয়া প্রমুখ। এর আগে তারা গোপালদী পৌর মেয়র প্রার্থী আবুল বাশার কাশুর পক্ষে গোপালদী বাজারে গণসংযোগ করেন। আড়াইহাজার পৌর সভায় আওয়ামী লীগের ৭ জন মেয়র পদে নির্বাচন করছেন। এরা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব সুন্দর আলী মিয়া, সাবেক ভিপি কাজী সুজন ইকবাল, ছাত্রলীগের কেন্দ্রিয় নেতা বিল্লাল হোসেন, সদর আওয়ামী লীগের সভাপতি মেহের আলী, সদর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশিদ, যুবলীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য মোজাম্মেল হক জুয়েল ও সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান। ৭ জন প্রার্থী থাকলেও এখন পর্যন্ত দলীয়ভাবে কোন প্রার্থীকে সমর্থন দিতে পারেনি আওয়ামী লীগ। যার ফলে আওয়ামী লীগের ভোট বিভক্ত হয়ে যাবে। এ কারণে মনোবল ভেঙ্গে পড়েছে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের। এই সুবিধা নেবে বিএনপি। গোপালদী পৌরসভার মেয়র প্রার্থী বিএনপির সমর্থিত আবুল বাশার কাশু। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আলহাজ্ব এমএ হালিম শিকদার। সূত্র জানায়, গোপালদী পৌর সভায় আওয়ামী লীগের ২ জন এবং বিএনপির একজন প্রার্থী রয়েছেন। ফলে বাড়তি সুবিধা পাবে বিএনপি। আর এই পৌর সভায় ত্রিমুখী লড়াই হবার সম্ভাবনা রয়েছে। বিএনপির প্রার্থী আবুল বাশার গতকাল গোপালদী, দাইরাদী, টোকসাদী এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন। আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী আলহাজ্ব এমএ হালিম শিকদার রামচন্দ্রদী, উলুকান্দী, সদাসদী ও মোল্লার এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন। রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফৌজিয়া খান জানান, রবিবার থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু হয়েছে। কেউ আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।