কোন্দলে জর্জরিত জয়পুরহাট বিএনপি

আপডেট : ৩০ জুন ২০১৩, ২২:২১
জয়পুরহাট-২ (কালাই-ক্ষেতলাল-আক্কেলপুর) আসনে বিএনপির রাজনীতি তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। তাই দলীয় কর্মসূচিতে নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি মিলছে না। দলীয় কর্মসূচিও সফল করতে পারছে না। তবে ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা এমপি নেতৃত্বে গঠিত কমিটিগুলো ঢিলেঢালাভাবে দলীয় কর্মসূচি পালন করছেন। দ্বন্দ্বের কারনে তৃণমূল নেতাকর্মীরা অনেকটাই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। জানা গেছে, দলের সাবেক সাংসদ আবু ইউসুফ মো. খলিলুর রহমান গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বিএনপি ত্যাগ করে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিতে (এলডিপি) যোগদান করেন। গত সংসদ নির্বাচনে এই আসনে বিএনপির সমর্থন পেয়ে ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা এমপি নির্বাচিত হন। খলিলুর রহমানের অনুসারী নেতা-কর্মীরা তার বিরোধিতা করলেও নির্বাচনে তেমন কোন প্রভাব পড়েনি। সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি আগের কমিটির নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে তার অনুসারীদের নিয়ে তিন উপজেলা ও পৌরসভাসহ প্রতিটি ইউনিয়নে আলাদা কমিটি গঠন করেন। নির্বাচনের পর এলাকায় নতুন মুখ হিসাবে আসেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি লায়ন মোঃ সিরাজুল ইসলাম বিদ্যুত্। এই পক্ষটি দলের প্রতিটি কর্মসূচি আলাদাভাবে পালন করে আসছেন। আবু ইউসুফ মোঃ খলিলুর রহমানের অনুসারীদের বেশিরভাগই এখন রয়েছেন নতুন মুখ সিরাজুল ইসলাম বিদ্যুতের সাথে। এ ছাড়া বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রানা আহামেদ বিএনপির তৃতীয় আরেকটি পক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দলের কিছু নবীন-প্রবীণ নেতা-কর্মী তার সঙ্গে আছেন। তবে তিনি এখন পর্যন্ত কোন উপজেলা বা পৌরতে কমিটি গঠন করতে পারেনি। নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা তিন ভাগে বিভক্ত হওয়ায় সরকার বিরোধী আন্দোলন কর্মসূচি প্রাণ পাচ্ছে না।