জাল পাসপোর্ট ও ভিসার অভিযোগে বিদেশ থেকে ফিরে আসা ছয় যুবক জামিনে মুক্তি পেয়ে নিজেদের এলাকায় ফিরেছেন। আদম ব্যাপারীর প্রতারণার শিকার ছয় যুবক গত ২৪ জুন হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণের পর পরই ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করে থানায় সোপর্দ করে। মামলা হয় তাদের বিরুদ্ধে। থানায় থেকে পাঠানো হয় আদালতে। আদালত থেকে জেলে।
ভুক্তভোগী নওগাঁও জেলার একরামুল হক বলেন, দালালের প্রতারণার শিকার হয়ে আজ পথে বসতে হয়েছে। বাপ দাদার জমি বিক্রি করে সাড়ে তিন লাখ টাকা দিয়েছি দালালকে। আজ টাকাও খুইয়েছি, সেই সঙ্গে মান সম্মানও। আত্মীয়-স্বজনদের কাছে মুখ দেখানোর মত অবস্থা নেই। তিনি বলেন, যে দালালকে তিনি টাকা দিয়েছিলেন তাকে এখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ দিকে রবিবার এ সংক্রান্ত প্রকাশিত একটি সংবাদের ব্যাপারে প্রতিবাদ জানিয়েছেন গাউছিয়া ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস-এর স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। তিনি গতকাল এক প্রতিবাদ লিপিতে বলেন, ‘ যাবার সময় কেউ দেখে না, ফেরার সময় গ্রেফতার’ শিরোনামের ঘটনাটি নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক এবং প্রশাসনের যথাযথ ব্যবস্থার দাবি রাখে। কিন্তু প্রতিবেদনে গাউছিয়া হজ্ব এজেন্সীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাতে আমরা বিস্মিত। গত ১৪ বছর ধরে গাউছিয়া সুনামের সঙ্গে হজ্ব সেবা প্রদান করে আসছে। গাউছিয়া ট্রাভেলস অনৈতিক, প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়।
