জিএসপি স্থগিত রফতানিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে

আপডেট : ০১ জুলাই ২০১৩, ২১:৩৭
সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা (জিএসপি) স্থগিতের কারণে দেশের রফতানি খাত তথা অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। এ অবস্থায় জিএসপি সুবিধা পুনর্বহালে বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে সরকারকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। গতকাল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ দাবি জানানো হয়। জিএসপি স্থগিতের সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ডিসিসিআই জানিয়েছে, বাংলাদেশ সরকার কারখানার কর্মপরিবেশ উন্নয়নে কতিপয় দৃশ্যমান ও ইতিবাচক পদক্ষেপ করতে যাচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- শ্রমিক অধিকার রক্ষার্থে বিদ্যমান শ্রম আইন ২০০৬ সংশোধন, কারখানার শ্রমিকদের মুজরি নির্ধারণে কমিশন গঠন, ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা ও ভবন চিহ্নিতকরণ এবং ব্যবস্থা গ্রহণ ইত্যাদি। তাছাড়া ইতোমধ্যে সরকার টিকফা চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে। এ অবস্থায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের সিদ্ধান্ত দেশের রপ্তানিখাত তথা অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। জিএসপি স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের কাজ করার জন্য বাংলাদেশ সরকার যে মিনিস্ট্রিরিয়াল কমিটি গঠন করেছে সেখানে বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি যেমন- এফবিসিসিআই, ডিসিসিআই, বিজেএমইএ, বিকেএমইএসহ অন্যান্য বাণিজ্য সংগঠন ও এসোসিয়েশনগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে ডিসিসিআই। ডিসিসিআই বলছে, যেহেতু জিএসপি এখনও পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়নি, তাই এখনও বাংলাদেশের সুযোগ রয়েছে জিএসপি পুনর্বহালের। এক্ষেত্রে আগামী ৬ মাসের মধ্যে পুনরায় জিএসপি সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের শর্তাবলী পূরণে মিনিস্ট্রিরিয়াল কমিটি যাতে দ্রুততার সাথে কাজ করে এবং এ কমিটি জিএসপি প্রত্যাহারের প্রাসঙ্গিক পরিবেশ উন্নয়নে সঠিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে, সে বিষয়ে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।