ক্রিকেটে ম্যাচ ফিক্সিংসহ ক্রীড়া জগতের সব ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মের শাস্তি আরোপের লক্ষ্যে ভারত ও পাকিস্তানের ক্রীড়া আইন ও বিধি-বিধান সংগ্রহ করে সেগুলো বাংলাদেশের ক্রীড়া আইনে সংযোজনের সুপারিশ করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বৈঠক করে এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করেছে। মন্ত্রণালয় বলেছে কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে শিগগির কাজ শুরু করা হবে।
সংসদ সচিবালয় জানায়, মো. জাহিদ আহ্সান রাসেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংসদীয় কমিটির সদস্যরা ক্রিকেটে ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। ক্রিকেটসহ ক্রীড়া জগতের সব ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়ম দূরীকরণে কমিটি মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি আরোপের লক্ষ্যে ভারত ও পাকিস্তানে যে আইন ও বিধি-বিধান রয়েছে তা সংগ্রহ করা হবে। বাংলাদেশের ক্রীড়া আইনে সেগুলো সংযোজনের ব্যবস্থা করার জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণের প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য গঠিত ৬ নম্বর উপ-কমিটির রিপোর্ট গতকাল স্থায়ী কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। কমিটির সদস্যরা উপ-কমিটি যেসব সুপারিশ করেছে তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়াও ক্রীড়া সামগ্রী কেনার জন্য ক্রীড়া পরিদফতর থেকে যথাযথ বিধি-বিধান অনুসরণ করে দরপত্র আহ্বান, সংসদ সদস্যদের চাহিদার ভিত্তিতে সেগুলো সরবরাহ করা এবং ক্রীড়া সামগ্রীর গুণগতমান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মালামাল গ্রহণের জন্য গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্সকে আহ্বায়ক এবং সামশুল হক চৌধুরী, মাহাবু্ব আরা বেগম গিনি, মো. শফিকুল আজম খাঁন ও মো. কবিরুল হককে সদস্য করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট সংসদীয় উপ-কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির সদস্য ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আহাদ আলী সরকার, সামশুল হক চৌধুরী, মাহাবু্ব আরা বেগম গিনি, মো. শফিকুল আজম খাঁন, গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স এবং মো. কবিরুল হক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। যুব ও ক্রীড়া সচিব নূর মোহাম্মদ, মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লি¬ষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
