এ বছরের ৩০ জানুয়ারি প্রকাশিত আলোচিত নিবন্ধটি খালেদা জিয়ার বলে নিশ্চিত হয়েই তা ছাপিয়েছে মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন টাইমস। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জিএসপি সুবিধা স্থগিতের পর খালেদা জিয়ার নামে প্রকাশিত নিবন্ধটি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বিরোধীদলীয় নেতা ওই নিবন্ধ লেখার কথা অস্বীকারের পর এনিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এর সত্যতা যাচাইয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে সংবাদপত্রটি তাদের অবস্থান জানায়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ই-মেইলের উত্তরে ওয়াশিংটন টাইমসের নির্বাহী সম্পাদক ডেভিড এস জ্যাকসন জানান, এজেন্টের মাধ্যমে পাঠানো নিবন্ধটি যে খালেদা জিয়ার তা নিশ্চিত হওয়ার পরই তা ছাপিয়েছেন তারা।
“ওই নিবন্ধটি ওয়াশিংটন টাইমসের কাছে আসে মার্ক পার্সির মাধ্যমে, লন্ডনভিত্তিক এই মধ্যস্থতাকারী খালেদা জিয়ার পক্ষে কাজ করেন। নিবন্ধটি প্রকাশের আগে এবং পরেও তার সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রক্ষা করেছি, আমরা এর নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে নিঃসন্দেহ।”
মার্ক পার্সি লন্ডনের জনসংযোগ প্রতিষ্ঠান (পিআর ফার্ম) বিটিপি’র অন্যতম অংশীদার, যারা বিভিন্ন দেশের হয়েও কাজ করেন।
ওয়াশিংটন টাইমসে খালেদা জিয়ার নামে ওই নিবন্ধ প্রকাশের পর ক্ষমতাসীন দলের নেতারা সমালোচনায় ফেটে পড়েন। সংসদেও এ নিয়ে আলোচনা হয়। আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্য, নিবন্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র গত বৃহস্পতিবার তাদের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জিএসপি সুবিধা স্থগিত করলে এর জন্য খালেদা জিয়ার ওই নিবন্ধকে দায়ী করেন তারা।
ওই নিবন্ধে জিএসপি সুবিধা বাতিলের জন্য সরাসরি আহ্বান জানানো হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে।
এরপর শনিবার খালেদা জিয়া সংসদে বলেন, “বলা হয়েছে, আমি নাকি চিঠি দিয়ে এই সুবিধা বন্ধ করেছি। কিন্তু আমি কোনো চিঠি পাঠাইনি।”
বিরোধীদলীয় নেতার এই বক্তব্যের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে থাকা ওয়াশিংটন টাইমসে ছাপা ওই নিবন্ধের অনুলিপি তুলে ধরলে খালেদা জিয়া বলেন, “এটা আমার নয়। এমন কোনো লেখা আমি পাঠাইনি।”
