গাজীপুর সিটি নির্বাচনে থাকছে নিরাপত্তার বেড়াজাল

আপডেট : ০২ জুলাই ২০১৩, ২২:৫৬
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ‘সর্বোচ্চ নিরাপত্তা’ ব্যবস্থা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী শনিবার অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সংস্থার প্রায় ১১ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। নির্বাচন পরিচালনায় মাঠে থাকবে আরো প্রায় সাড়ে ৭ হাজারের মতো ‘নির্বাচনী কর্মকর্তা’। নির্বাচন কমিশনার মো ঃ শাহ নেওয়াজ ইত্তেফাককে বলেন, ‘নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে যা যা করার তাই করা হচ্ছে। পুরো নগরীতে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে। কেউ নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ৩৯২ কেন্দ্রের মধ্যে ২২৫টিই ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিটি সাধারণ কেন্দ্রে ২২ জন এবং ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২৪ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবে। এই হিসাবে ২২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ৫ হাজার ৪শ, আরো সাধারণ ১৬৭টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ৬৭৪ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকছে। পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়ন ও ব্যাটেলিয়ন আনসারের সমন্বয়ে গড়া ৫৭টি মোবাইল টিম ও ১৯টি স্ট্রাইকিং বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। প্রতিটি দলে ১২জন করে সদস্য থাকবে । গাজীপুরের প্রতিটি কেন্দ্রে একটি করে মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক থাকবে। ৫৭টি ওয়ার্ডে মোবাইল টিমের সদস্য থাকবে ৬৮৪ জন। আর সংরক্ষিত ১৯টি ওয়ার্ডে টহল দেবে স্ট্রাইকিং ফোর্সের সদস্যরা। এর সংখ্যা হচ্ছে ২২৮। এছাড়াও থাকবে র্যাবের ২৮টি বাহিনী এবং সাত প্লাটুন বিজিবি। র্যাবের প্রতিটি দলে থাকবে আট থেকে ১০ জন সদস্য। প্রতিটি টিম দু’টি করে ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকবে। সব মিলিয়ে আড়াই শতাধিক র্যাবের সদস্য থাকছে এবারের এই নির্বাচনে। আর প্রতি প্লাটুন বিজিবিতে থাকবে ১৮ থেকে ২৪ জন সদস্য। প্রায় দেড় শতাধিক বিজিবি গাজীপুর নির্বাচনী এলাকায় টহল দেবে। এর বাইরে ৫০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১০ জন বিচারিক হাকিম দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের সঙ্গেও থাকছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।