সড়কপথে যানজটের ঝামেলা এড়াতে ও রাজধানীর চারপাশে বৃত্তাকার নৌপথ সচল রাখার লক্ষ্যে ফের ঢাকার নৌ-পথে চালু হচ্ছে ওয়াটার বাস। নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টায় গাবতলীতে ওয়াটার বাস ল্যান্ডিং স্টেশন প্রাঙ্গণে এ সার্ভিসের উদ্বোধন করবেন।
পুরানো দু’টি ওয়াটার বাস ‘এম এল বুড়িগঙ্গা’ ও ‘এম এল তুরাগ’ এর সঙ্গে যুক্ত হবে নতুন চারটি ওয়াটার বাস। পুরানো দু’টির প্রতিটিতে আসন সংখ্যা ৩৫। নতুন চারটির প্রতিটিতে আসন ৮১। আগের দু’টি নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল এক কোটি ১২ লাখ টাকা। নতুন চারটি নির্মাণে খরচ হয়েছে তিন কোটি টাকা।
এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো এই ওয়াটার বাস সার্ভিস চালু হতে যাচ্ছে। রাজধানীর চারপাশের ঘূর্ণায়মান নৌপথে এই ওয়াটার বাস চালুর পরিকল্পনা আছে সরকারি সংস্থা বিআইডব্লিউটিসির। তবে আপাতত সদরঘাট থেকে গাবতলী পর্যন্ত চলবে ওয়াটার বাস সার্ভিস। বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে এসব তথ্য জানাগেছে। সদরঘাট থেকে গাবতলী পর্যন্ত প্রতি যাত্রীর ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা। সদরঘাট থেকে যাত্রা করে খোলামোড়া, সোয়ারীঘাট, বসিলা ও রায়েরবাজারে যাত্রী ওঠানামা করানো হবে। যাত্রাপথে এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনের ভাড়া ১৫ টাকা।
বিআইডব্লিউটিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন সকাল সাতটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত চলবে ওয়াটার বাসগুলো। বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান মজিবর রহমান জানান, প্রায় দুই মাস পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ওয়াটার বাস ছয়টি নামানো হবে। এবার যাত্রী আকর্ষণে ভর্তুকি দিয়ে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে একটি ওয়াটার ট্যাক্সি নামানো হয়েছিল। এরপর ২০১০ সালের ২৮ আগস্ট দুটি নৌযান দিয়ে দ্বিতীয় ওয়াটার বাস সার্ভিস চালু করা হয়। কিন্তু প্রতিবারই নৌযানে ক্রুটির কারণে এই সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়।
