আজ ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস। ২৩৭ বছর আগে এ দিনে ফিলাডেলফিয়ায় স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়া হয়। সেই থেকে প্রতিবছর এ দিনে পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে সকল বর্ণ, ধর্ম, বিশ্বাস, লিঙ্গ, সংস্কৃতি ও প্রজন্মের মধ্যে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রে তথা সারা বিশ্বের গণতন্ত্রের সুপরিচিত নিদর্শন ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ স্বাধীনতা দিবসে চমত্কার ও নয়নাভিরাম আতশবাজি দিয়ে সাজানো হয়। নিউইয়র্ক বন্দরে প্রবেশপথে স্থাপিত এই বিশাল মূর্তিটি ৯৩ মিটার উঁচু। ফ্রান্স ১৮৮৬ সালে উপহার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে মূর্তিটি প্রদান করে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসে বিশেষ সম্মিলন, বনভোজন, কুচকাওয়াজ ও আতশবাজি পোড়ানোসহ নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এক বাণী দিয়েছেন। এতে তিনি বলেন, সেই ১৭৭৬ সাল থেকে আমেরিকানরা একটি অধিকতর নিখুঁত ইউনিয়ন সৃষ্টির জন্য কাজ করে চলেছে। আমাদের গণতন্ত্র একটি চলমান প্রক্রিয়া। গৃহযুদ্ধ, নাগরিক অধিকার সংগ্রাম এবং এই বর্তমান কাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ আমাদের আদর্শ বাস্তবায়িত হবার সংগ্রাম চালিয়ে যেতে দেখছে। স্বাধীনতা দিবসে আমরা আরো অনেক কিছুর মধ্যে স্বাধীনতার চ্যালেঞ্জসমূহ, গণতন্ত্রের চলমান প্রক্রিয়া এবং আমরা কিভাবে আরো ভালোভাবে এক হতে পারি সেগুলো নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করি। আজ আমাদের এই স্বাধীনতা দিবসে আমরা সেসব জাতির কথা চিন্তা করি যারা স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছে এবং গণতন্ত্র বিনির্মাণের জন্য উদ্যোগী করেছে। আমেরিকার মতো বাংলাদেশও এর গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহ গঠন ও শক্তিশালী করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে চলেছে। একটি শান্তিময়, নিরাপদ, সমৃদ্ধশালী, সুস্থ এবং গণতান্ত্রিক জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে বাংলাদেশকে সহায়তা করার জন্য আমেরিকা সংকল্পবদ্ধ। আমরা আশা করি যে, এখানকার ও বিশ্বব্যাপী বসবাসরত বাংলাদেশিরা এ ৪ জুলাই আমাদের সাথে আমাদের বন্ধুত্ব, আমাদের সম্মিলিত আদর্শ ও গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের চিরন্তন অঙ্গীকার উদযাপন করবে।
