ব্রিটেনে বন্ধের ঝুঁকিতে পড়া অর্থ আদান-প্রদানকারী (মানি ট্রান্সফার এজেন্সি) প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাঁচাতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন রুশনারা আলী এমপি। তিনি বারক্লেস ব্যাংকের সিদ্ধান্তে ব্রিটিশ সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করে বিশেষ কর্মসূচি শুরু করেছেন।
এই কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পাবলিক মিটিং, গণস্বাক্ষর, সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে মত বিনিময়সহ বারক্লেস ব্যাংকের পরিচালকদের সাথে বৈঠক। মঙ্গলবার এক সভায় আরো ৯ এমপিকে নিয়ে তিনি এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এ সময় বাংলাদেশিসহ অন্যান্য কমিউনিটির মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রুশনারা আলী ব্রিটিশ পার্লামেন্টে প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি।
বারক্লেস ব্যাংক মে মাসে ব্রিটেনের অধিকাংশ মানি ট্রান্সফার এজেন্সিকে তাদের হিসাব বন্ধ করে দেয়ার কথা জানিয়ে ৬০ দিনের নোটিস দেয়। ফলে বাংলাদেশে অর্থ প্রেরণকারী দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঝুঁকিতে পড়ে। এসবের মধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংকের মালিকানাধীন এজেন্সি রয়েছে ১১টি। ১০ জুলাই নোটিসের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। মানি ট্রান্সফার ব্যবসায় অবৈধ অর্থ পাচার এবং সন্ত্রাসে অর্থায়নের মতো ঝুঁকি থাকায় বারক্লেস এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রুশনারা আলী ব্রিটিশ ট্রেজারি মন্ত্রী সাজিদ জাবিদের কাছে জানতে চান, বারক্লেসের এ সিদ্ধান্তে ব্রিটিশ সরকারের কোনো নীতিগত বিষয় জড়িত কিনা? জবাবে তিনি বলেন, এটা ব্যাংকগুলোর বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত। সরকারের এ বিষয়ে কিছু করার নেই। সভায় উপস্থিত থাকা অন্য এমপিদের মধ্যে আছেন জিম ফিজপেট্রিক, স্টিফেন ট্রিমিং, ভারেন্দ্র শর্মা, কেভিং বার্মেন, জোর্ডান এ্যাশওয়ার্থ, জোসে গ্রিনিং প্রমুখ।
