কয়েক সর্দারজি মিলে মুক্তিপণ আদায়ের লক্ষ্যে ধনকুবের এক দোকান মালিককে তার দোকানে আটকে রাখলেন। কিন্তু তিনদিন পেরিয়ে যাবার পরও মুক্তিপণের দাবি জানিয়ে সর্দারজিরা কাউকে কোনো ফোন দিতে পারলেন না! কারণ? কারণ দোকানটা ছিল মদের আর প্রচুর পরিমাণে পান করার কারণে কেউই কোনো কিছু দাবি করার মতো অবস্থায় ছিলেন না!
রফিক সাহেব ঠিক করলেন, ছেলের বিয়ে দেবেন।
ছেলেকে গিয়ে বললেন, শোন, আমি ঠিক করেছি তোর বিয়ে দেব। পাত্রীও ঠিক।
ছেলে :কিন্তু বাবা আমি তো নিজের পছন্দে বিয়ে করতে চাই!
রফিক সাহেব :পাত্রী বিল গেটসের মেয়ে।
ছেলে :তাহলে বাবা আমি রাজি!
এরপর রফিক সাহেব গেলেন বিল গেটসের কাছে। বললেন, ‘আপনার মেয়ের সঙ্গে আমার ছেলের বিয়ে দিতে চাই।’
বিল গেটস :কিন্তু আপনার ছেলে করে কী?
রফিক সাহেব :সে বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট।
বিল গেটস :ও! তাহলে আমি রাজি।
সব শেষে রফিক সাহেব গেলেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের কাছে। বললেন, ‘আমার ছেলেকে আপনার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেন।
প্রেসিডেন্ট :কিন্তু আপনার ছেলের কি সেই যোগ্যতা আছে? তা ছাড়া আমার একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট আছে। আমি তো তাকে সরিয়ে আপনার ছেলেকে নিতে পারি না।
রফিক সাহেব :কিন্তু সে যদি বিল গেটসের মেয়ের জামাই হয়?
প্রেসিডেন্ট :তাহলে আমি রাজি!
স্বামী :ঘুমাচ্ছ?
স্ত্রী :না।
স্বামী :তা হলে চোখ বন্ধ কেন?
স্ত্রী :দৃষ্টিশক্তির সাশ্রয় করছি।
