ডিএসইতে ৯১৩ কোটি টাকা লেনদেন

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০১৩, ২০:৪৫
গতকাল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সূচক ও লেনদেন আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। এ নিয়ে টানা তিন দিন শেয়ারবাজারের সূচক ও লেনদেন বেড়েছে। এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রস্তাবিত ৯০০ কোটি টাকার প্রথম কিস্তি দেয়ার সংবাদে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি পায়। ফলে বাজারে ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকে। আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গত তিন দিন ধরে ডিএসই’র সাধারণ মূল্যসূচক সাড়ে চার হাজারের উপরে অবস্থান করায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে বাজারে কিছু ফ্রেশ বিনিয়োগ আসছে। যা ডিএসইতে নয়শ’ কোটি টাকার উপরে লেনদেন হওয়ার একটি বড় কারণ। তাছাড়া বিদেশি বিনিয়োগ আসছে এমন সংবাদেও বিনিয়োগকারীরা আশাপ্রাপ্ত হচ্ছেন। এদিকে গত কয়েকদিনের ধারাবাহিকতায় গতকালও বাজারে লেনদেন হয়েছে জ্বালানি খাত ঘিরে। গতকাল এ খাতে লেনদেন হয়েছে ১৮৫ কোটি টাকা। যা বাজারের মোট লেনদেনের ২০ দশমিক ৩২ শতাংশ। এছাড়া পোশাক খাত, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ফার্মাসিউটিক্যালস খাতও লেনদেনের ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল। আর দাম বাড়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল টেলিকমিউনিকেশন খাত এবং সাধারণ বীমা খাত। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ২৭০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মূল্যসূচক ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫৪২ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৯১৩ কোটি ১৯ লাখ ৫২ হাজার টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১০৭ কোটি ৯৯ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৯২টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২১৭টির, কমেছে ৬২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩টির। ডিএসইতে গত জুন মাসে ২০১২-১৩ অর্থবছরের সর্বোচ্চ বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে।গত জুন মাসে ডিএসইতে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ হয়েছে ৩৩৬ কোটি টাকা, যা গত মে মাসের তুলনায় ১০৫ কোটি টাকা বেশি। আর মাসিক ভিত্তিতে অর্থবছরের সর্বোচ্চ।