এককালের উত্তাল যমুনার তর্জন-গর্জনে বুক কেঁপে উঠতো। নদী দিয়ে বয়ে যেত পালতোলা অসংখ্য নৌকা, লঞ্চ ও স্টিমারসহ বড় বড় জাহাজ। নদীর সেই উত্তাল রুদ্র মূর্তি এখন নেই। সেই নদীই আছে কিন্তু নেই গভীরতা, নেই সেই তর্জন-গর্জন। যমুনার বুক জুড়ে জেগে উঠেছে ধু ধু বালুচর। না চলে নৌকা, না চলে ভ্যান, রিকসা। শহরের আধুনিকতা আর বিলাসিতা থেকে এরা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। ডিজিটালের কোন ছোঁয়া লাগেনি চরাঞ্চলগুলোতে। শহর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে যমুনা।
ভূঞাপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে বৃহত্ ৩টি ইউনিয়নই যমুনার বুকে। ভাঙ্গনকবলিত এসব এলাকায় শুষ্ক মৌসুমে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ঘোড়ার গাড়ি। ধু ধু বালুময় দু’পায়ে হাঁটার রাস্তাতে ঘোড়ার গাড়িগুলো চলাচলও দুরূহ। উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতের বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে ঘোড়ার গাড়ি। তুলা, রফিক, জহিরুল এরকম প্রায় শতাধিক গোড়ার গাড়িওয়ালা রয়েছে বিভিন্ন চরাঞ্চলের খেয়াঘাটের কাছাকাছি।
