নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এপ্ল্যায়েড কেমিস্ট্রি এন্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের-এসিসিই শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে আন্দোলন, ভাংচুর ও দুই শিক্ষককে আটকে রেখে মুচলেকা আদায়সহ অপ্রীতিকর ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ গত মঙ্গলবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করলেও আন্দোলন থামেনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীরা ১০ ছাত্রের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও নাম পরিবর্তন করে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড এপ্ল্যায়েড কেমিস্ট্রি বিভাগ নামকরণ, ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি প্রদান ও শিক্ষক নিয়োগের দাবি এবং প্রশাসনের প্রতারণার প্রতিবাদে জেলা শহর মাইজদীতে মানববন্ধন করে। পরে নোয়াখালী প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন-২৮ জুনের মধ্যে কর্তৃপক্ষ তাদের দাবি মানার ঘোষণা দিলেও শুধু বিভাগীয় শিক্ষকদের অসহযোগিতার কারণে তা হয়নি। এমনকি দুই শিক্ষককে আটকে রাখা নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা অপপ্রচার চালিয়েছেন। একই সাথে কর্তৃপক্ষ নিজেদের অনিয়ম-দুর্নীতি ঢাকতে শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণা করেছে। তাদের দাবি পূরণ না হলে আরো কঠোর আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে বলে তারা ঘোষণা দেন।
এদিকে ভিসির পদত্যাগের দাবিতে গতকালও অনড় ছিলো শিক্ষক সমিতি। উপাচার্যকে দেয়া শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মারুফ উল আলম স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ক্যাম্পাসের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, ছাত্র-শিক্ষকদের নিরাপত্তা প্রদান, উপাচার্যের নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও কেলেঙ্কারি নিয়ে মঙ্গলবার শিক্ষক সমিতির সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার পাশাপাশি অবিলম্বে তাকে পদত্যাগ করে ক্যাম্পাস ত্যাগের আহ্বান জানানো হয়।
