জোকস

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০১৩, ১৮:৩৮
 বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বলল এক কয়েদি, ‘হুজুর, আমাকে ব্যাংক ডাকাতির মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ আমি একেবারেই নিরপরাধ। আমাকে আপনি বাঁচান।’ সাক্ষী ব্যাংক কর্মকর্তা চিত্কার করে বললেন, ‘না হুজুর! পাঁচ ব্যাংক ডাকাতের মধ্যে এই লোকও ছিল। আমি নিশ্চিত।’ কয়েদি :অসম্ভব! এই লোকটা মিথ্যা বলছে হুজুর। আমরা চারজন ছিলাম!  জেলখানায় নতুন এসেছে এক কয়েদি। অন্য কয়েদিদের সঙ্গে রাতে খেতে বসল সে হঠাত্ কয়েদিদের মধ্যে একজন বলে উঠল, ‘৩১’। আর অন্যরা হো হো করে হেসে উঠল। আরেকজন বলল, ‘৫২’। শুনেই সবাই হেসে গড়াগড়ি খেতে লাগল। এদিকে নতুন কয়েদি ঘটনা কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না। পাশের পুরোনো এক কয়েদিকে জিজ্ঞেস করল, ‘হচ্ছেটা কী, বলুন তো?’ পুরোনো কয়েদি :আমরা তো এখানে আছি অনেক দিন হলো। একই কৌতুক বারবার শুনতে শুনতে আমাদের মুখস্থ হয়ে গেছে। এখন আর আমরা পুরো কৌতুক বলি না। কৌতুকের নম্বরটা বলি, বাকিরা বুঝে নেয়। এমন সময় ঘরের কোণ থেকে এক কয়েদি বলে উঠল, ‘২৯’। কিন্তু এবার কেউই হাসল না। নতুন কয়েদি :কী ব্যাপার, কেউ হাসছে না কেন? পুরোনো কয়েদি :দূর, ব্যাটা যখন কৌতুকটা বলেছিল তখন একেবারেই মজা করে বলতে পারেনি!  অফিসে দেরি করে এসেছে দেখে এক কর্মচারীকে ডেকে পাঠালেন বস, ‘আপনার এখানে নয়টার সময় আসা উচিত ছিল?’ উত্তরে কর্মচারীটি জানতে চাইল, ‘কেন, স্যার? নয়টার সময় কিছু হয়েছিল বুঝি?’  বিচারক :তোমার বয়স কত? আসামি :সাত বছর বিচারক :এটুকু বয়সেই পকেটমার শুরু করেছ? আসামি :তা হলে আপনিই বলে দিন কত বছর বয়স থেকে শুরু করব?