অবশেষে দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে দক্ষিণ টাঙ্গাইলবাসীর। শুধু উদ্বোধনের প্রহর গুনছে স্বপ্নের ধলেশ্বরী সেতু। টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার, নাগরপুর, মানিকগঞ্জের দৌলতপুর, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলাসহ আশ-পাশের উপজেলার কয়েক লাখ লোকের যোগাযোগের মাধ্যম ছিল ধলেশ্বরী নদীর ফেরী। নদী পার হতে কখনো কখনো ফেরীর জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো। অনেক সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইঞ্জিনচালিত শ্যালো নৌকায় লোকজন পার হতো। সেতুর অভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যে ছিল মন্দাভাব। ফলে এসব অঞ্চলের সাধারণ জনগণের দাবি ছিল ধলেশ্বরী নদীর উপর সেতু নির্মাণ। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের সেই দাবি পূরণ হতে চলেছে। সেতুটির মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের সাথে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক পথে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। জানা যায়, ১৯৯৬ সালে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একনেকে ধলেশ্বরী সেতু নির্মাণের অনুমোদন দেন। কিন্তু দরপত্র নিয়ে মামলাজনিত কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। অবশেষে ২০১০ সাল থেকে সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মূল সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ। শুধু লাইটিংয়ের কাজ বাকি। এছাড়া দু‘পাশের অ্যাপ্রোচের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। চলতি জুলাই মাসেই সম্পূর্ণ কাজ শেষ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। বর্তমানে ঘাটের দু‘পাশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। সেতুর উপর দিয়েই যানবাহন চলাচল করছে। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
