চীন ও রাশিয়া যৌথভাবে আট দিনের নৌ মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে। গতকাল শুক্রবার থেকে এটি শুরু হয়ে আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত তা চলবে। একে কোন বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে সবচেয়ে বড় মহড়া হিসাবে বর্ণনা করেছে বেইজিং। জাপান সাগরে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। পিপলস লিবারেশন আর্মি’র প্রধান জেনারেল ফাং ফেনগুই মঙ্গলবার এ সম্পর্কে বলেন, তৃতীয় কোন পক্ষকে টার্গেট করা এই মহড়ার উদ্দেশ্য নয়। মূলত রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদার করতেই এর আয়োজন করা হয়েছে। তাদের এই নৌ মহড়া এমন সময়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যখন সমুদ্রসীমা নিয়ে জাপান ও ফিলিপাইনের মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনা চলছে। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এই মহড়ায় ‘সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে বৃহত্তম একক ইউনিট ’ অংশ নিতে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয় আরো জানায়, এর উদ্দেশ্য হচ্ছে এ অঞ্চলের দ্বীপসমূহের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং যুক্তরাষ্ট্র-জাপান মৈত্রী জোটকে এর মাধ্যমে তাদেরকে বার্তা পৌঁছে দেয়া। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান এক যৌথ নৌ মহড়ায় অংশ নিয়েছিল।
দেশটির কম্যুনিস্ট পার্টির সংবাদপত্র পিপলস ডেইলি শুক্রবার জানায়, এটা তাদের রুটিন মহড়ার অংশ মাত্র। এর মাধ্যমে কোন আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের জানান দেয়া হচ্ছে না। রাশিয়ার ১১টি যুদ্ধজাহাজ, একটি সাবমেরিন ও তিনটি বিমান এই মহড়ায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
