নাঙ্গলকোটকে স্বতন্ত্র সংসদীয় আসন না করায় ক্ষোভ

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০১৩, ২১:২৭
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের সীমানা চূড়ান্তকরণে দ্বিতীয়বারের মত সাবেক কুমিল্লা-১১ ( নাঙ্গলকোট) সংসদীয় আসনকে ত্রিখণ্ডিত করে নাঙ্গলকোট উপজেলা এবং সদর দক্ষিণ উপজেলা নিয়ে দীর্ঘ ৯০ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে (কুমিল্লা-১০) আসন ঘোষণা করায় নাঙ্গলকোটের সাধারণ জনগণ এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তারা কোনভাবে বিশাল এই এলাকা নিয়ে সংসদীয় আসন মেনে নিতে পারছেন না। তারা নির্বাচন কমিশনের মনগড়া এ সিদ্ধান্তের কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন, নির্বাচন কমিশন সীমানা নির্ধারণ অধ্যাদেশ এবং আদমশুমারী রিপোর্টে প্রদত্ত জনসংখ্যা বন্টনের বিষয়টি সম্পূর্ণ পাশ কাটিয়ে বিশাল এলাকা এবং জনসংখ্যা নিয়ে সংসদীয় আসন ঘোষণা করেছে। তারা এ অবাস্তব এবং অযৌক্তিক সংসদীয় আসন ঘোষণার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দেন। কুমিল্লা জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভুঁইয়া কমিশনের মনগড়া এ সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের কোথাও ৯০ কিলোমিটারব্যাপী সীমারেখার ভৌগোলিক অবস্থা এবং বিশাল জনসংখ্যা বিবেচনা করে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ করা হয়নি। তিনি নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্ত সংশোধনের আহবান জানান। নাঙ্গলকোটের প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব সাদেক হোসেন চেয়ারম্যান জানান, নির্বাচন কমিশনের এ সীমানা নির্ধারণ সম্পূর্ণ অবাস্তব এবং অযৌক্তিক। নাঙ্গলকোট সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর অ্যাডভোকেট এ জে এম সালেহ উদ্দিন খন্দকার বলেন, নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্ত দুর্ভাগ্যজনক।