কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের প্রার্থীকে শিক্ষক নিয়োগ দিতে আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্ট্যাডিজ বিভাগের প্লানিং জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যে জালিয়াতি করে তৈরি করা প্লানিংয়ের আলোকে শিক্ষক নিয়োগের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে বলে রেজিস্টার অফিস সূত্রে জানা গেছে। আল-হাদিস বিভাগের সভাপতি ড. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। বিভাগীয় সভাপতি তার আস্থাভাজন একজন প্রার্থীকে নিয়োগ দিতেই এ জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে ওই বিভাগের ৭ জন প্লানিং মেম্বারের মধ্যে ৪ জনই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। তবে বিভাগের সুনাম নষ্ট হওয়ার আশংকায় বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেছেন ওই শিক্ষকরা। এদিকে প্লানিং জালিয়াতির বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এ নিয়ে ক্যাম্পাসে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে শিক্ষকদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে শিক্ষক নিয়োগের প্লানিং করায় নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি, আর্থিক লেনদেন ও স্বজনপ্রিয়তা ঘটবে বলে বিভাগের শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন। ইতিমধ্যে কয়েকজন প্রার্থীর কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানা যায়। এর অন্যতম মাধ্যম হিসাবে কাজ করছেন ঐ বিভাগেরই জামায়াত সমর্থিত গ্রীন ফোরামের শিক্ষক (বর্তমানে বহিষ্কৃত) অধ্যাপক ড.সৈয়দ মাকসুদুর রহমান। এক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত কম মেধাবীরাই শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে পারে বলে আশঙ্কাও করছেন তারা। ইতিমধ্যে ওই বিভাগে নিয়োগ পাওয়ার জন্য অযোগ্য প্রার্থীরা ব্যাপক লবিং শুরু করেছেন।
