ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল বিশ্বরোড মোড় এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের বেপরোয়া হয়রানিতে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের অভিযোগ, বিশ্বরোড খাটিহাতা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এখানে বাণিজ্য শুরু করেছেন। তারা মহাসড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন পরিবহনের গতিরোধ করে কাগজপত্র চেকের নামে গাড়ির চালকের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা আদায় করছে। জয়-পূজা এন্টারপ্রাইজ নামে সিএনজি অটোরিকশার মালিক চন্দন দেব জানান, গত শুক্রবার তার অটোরিকশাটি দুর্ঘটনার শিকার হলে পুলিশ এটিকে ফাঁড়িতে নিয়ে আসে। পরে ১৬ হাজার টাকায় তাকে ছাড়িয়ে নিতে হয়। আজিজুল হাকিম-২ এন্টারপ্রাইজ নামে সিএনজি অটোরিকশার মালিক মোঃ আজিজুল হাকিম জানান, কয়েকদিন আগে তার অটোরিকশাটি হাইওয়ে পুলিশ আটক করে। মামলার ভয় দেখিয়ে পাঁচ হাজার টাকা নেয় পুলিশ। পরিবহন শ্রমিক মোঃ কালাম মিয়া, সারোয়ার মিয়া, কালন মিয়াসহ অনেকে জানান, বিশ্বরোড হাইওয়ে পুলিশের অযথা হয়রানিতে শ্রমিকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। মহাসড়কে চলাচলকারী মালবাহী প্রত্যেক যান থেকে পুলিশ দু’শ’ থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করছে। পুলিশের পাশাপাশি তাদের কয়েকজন সোর্স এসব গাড়ি থামিয়ে টাকা নেয়। টাকা না দিলে মামলাসহ নানা হয়রানির হুমকি দেয় পুলিশ।
পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সার্জেন্ট মোঃ হানিফ মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আগের সার্জেন্ট বিভিন্ন সময়ে গাড়ি আটক করে পাঁচশ’-হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিতেন। অনেকে তদবির করেও তার কাছ থেকে গাড়ি ছাড়িয়ে নিতেন। বর্তমানে এ অনিয়ম চালু নেই। এখন গাড়ি আটকের পর মামলা দেয়া হয়। তাই অনেকে ক্ষোভে এ ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন।
