বরিশালের গৌরনদীর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সার্কেল অফিস ১ জন ইন্সপেক্টর, ১ জন সাব-ইন্সপেক্টর, ১ জন এএসআই ও ২ জন কনস্টেলের পদ থাকলেও সার্কেল অফিস চলছে একজন কনস্টেবল দিয়ে।
১৯৯৮ সালে গৌরনদীতে বিষাক্ত মাদক সেবনে আটজনের প্রাণহানী ঘটে। ঐ সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গৌরনদী সার্কেল অফিস প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু জনবল সংকটসহ নানাবিধ সমস্যার কারণে দীর্ঘদিন যাবত্ অফিসটির কাযক্রম বন্ধ রয়েছে। জরাজীর্ণ ৩ কক্ষ বিশিষ্ট এ অফিসটিতে আসবাবপত্র ১টি, টেবিল ও ৩টি ভাঙ্গা চেয়ার ছাড়া আর কিছুই নেই। এমনকি সাইনবোর্ডটি নেই। এলাকাবাসীর জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গৌরনদী সার্কেল অফিসের নিষ্ক্রিয়তা ও নজরদারী না থাকার কারণে গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, উজিরপুর, মুলাদী ও হিজলা উপজেলায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে না। ফলে মাদকের প্রসারতা দিন দিন বাড়ছে।
ইন্সপেক্টর হেলাল উদ্দিন ভূঁইয়া ৭/৮ মাস যাবত্ গৌরনদী সার্কেল অফিসের দায়িত্বে থাকলেও তিনি অধিকাংশ সময় মামলার সাক্ষী দেয়ার ওজুহাতে অফিসে আসেন না।
গৌরনদী থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, আমার সাথে ইন্সপেক্টর হেলাল উদ্দিনের কোন দেখা-সাক্ষাত্ হয়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিদারে আলম মোহাম্মাদ মাকসুদ চৌধুরী জানান, গৌরনদীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সার্কেল অফিস আছে তা আমি আগে জানতাম না। তাদের কার্যক্রম না থাকায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। গৌরনদী সার্কেলের দায়িত্বে ইন্সপেক্টর মোঃ হেলাল উদ্দিন মোবাইলে জানান, মামলার সাক্ষী দেয়ার জন্য আমাকে বিভিন্ন স্থানে যেতে হয়। তাই নিয়মিত অফিসে থাকা সম্ভব হচ্ছে না।
