দৌলতদিয়ার পদ্মায় ডুবোচর জেগে উঠায় ঝুঁকি নিয়ে ফেরি চলাচল করছে। ডুবোচর জেগে ওঠায় মাঝে-মধ্যে ফেরি চরে আটকা পড়ছে। গতকাল শুক্রবার ভোরে একটি বড় ফেরি যানবাহন নিয়ে মাঝ নদীতে আটকা পড়ে। বিআইডব্লি¬উটিসিসূত্রে জানা গেছে, পানি বৃদ্ধির ফলে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচলের জন্য তৈরি এ্যাপ্রোচ চ্যানেলে বালু-পলি পড়ে ভরাট হয়ে ডুবোচর দেখা দিচ্ছে। গতকাল ভোরে রোরো ফেরি শাহ পরান যানবাহন নিয়ে পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসার পর দৌলতদিয়ার এ্যাপ্রোচ চ্যানেলে প্রবেশ করলে স্রোতের ধাক্কায় ডুবোচরে গিয়ে আটকা পড়ে। দীর্ঘ সময় ফেরিটি নিজে থেকেই উত্তরণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে পড়ে একটি কে-টাইপ ফেরি ও উদ্ধারকারী আইটি ডাগ জাহাজ এসে ফেরিটিকে প্রায় তিন ঘণ্টা পর উদ্ধার করে।
কয়েকজন ফেরি মাষ্টার বলেন, পানি বৃদ্ধিতে ডুবোচর দেখা দেয়ায় গত দুইদিন ধরে মাঝে-মধ্যে ফেরিগুলো ডুবোচরে আটকে যাচ্ছে। শুক্রবার ভোরে তিনি পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে ২ ও ৩ নং ঘাটের মাঝামাঝি চ্যানেলে প্রবেশ করামাত্র স্রোতের ধাক্কায় ডুবোচরে গিয়ে আটকা পড়েন। পরে প্রায় তিন ঘণ্টা পর পাটুরিয়া থেকে এসে উদ্ধারকারী জাহাজ ও ছোট কাবেরী ফেরি মিলে উদ্ধার করে। এর আগে বুধবার বিকালে রোরো ফেরি শাহ মখদুম ও খানজাহান আলী দুই দফায় প্রায় দুই ঘণ্টা করে একই স্থানে ডুবোচরে আটকা পড়ে। এতে ফেরির অনেক ছোটখাটো সমস্যাও দেখা দিয়েছে। এখন ফেরি মাষ্টারগণ খুবই ঝুঁকির মধ্যে ফেরি চালাচ্ছেন। বিআইডব্লি¬উটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক আবু আলম হাওলাদার বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালে একটি ফেরি নষ্ট হয়েছে। বর্তমানে সাতটি বড় ফেরি চলছে।
