আশি ভাগ প্রিজাইডিং অফিসার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০১৩, ২৩:৩৬
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরকারি দলের ৮০ শতাংশ প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে যারা বিভিন্ন সময় ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, গাজীপুর সিটি নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপির চেষ্টা হলে সেখান থেকেই সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকারের ভূমিকা কী হবে তা গাজীপুর সিটি করপোরেশন (জিসিসি) নির্বাচন দেখেই বুঝা যাচ্ছে। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি আয়োজিত ‘বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী শক্তির করণীয়’ শীর্ষক আলোচনাসভায় মওদুদ এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রার্থী এমএ মান্নানের চরিত্র হরণ করতে সরকার নানামুখী ষড়যন্ত্র করছে অভিযোগ করে মওদুদ বলেন, চার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হেরে এখন জয়ের জন্য তারা বেপরোয়া হয়ে গেছে। এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে এমনটি এখন আর কেউ বিশ্বাস করে না। টাকা বিতরণের অভিযোগ এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনে সরকার ষড়যন্ত্র করছে। প্রশাসনিক প্রভাবের পাশাপশি বস্তিতে বস্তিতে কোটি কোটি টাকা বিতরণ করছে তারা। যেকোনো প্রকারে ফলাফলকে নিজেদের পক্ষে নিতে চাচ্ছে। সেনা মোতায়েন দাবি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গাজীপুর নির্বাচনে সেনা মোতায়েন না হলে কলঙ্কময় অধ্যায়ের সৃষ্টি হবে। তার দায়ভার বহন করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। মির্জা আলমগীর বলেন, আমরা জানি সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ। আওয়ামী লীগ চায় গাজীপুরের নির্বাচন নিরপেক্ষ না হোক। আওয়ামী লীগ ভোট ডাকাতি করতে চায় কিন্তু তারা জানে সেনাবাহিনী থাকলে সেটা সম্ভব নয়। গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাব কনফারেন্স লাউঞ্জে স্বাধীনতা ফোরাম আয়োজিত জয়নুল আবদিন ফারুক এমপিকে হত্যা প্রচেষ্টাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে যুব সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন।