কাউনিয়ায় মরিচ চাষে অধিক লাভ

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০১৩, ২১:৩৫
ইচ্ছে থাকলে উপায় হয় এই প্রবাদ বাক্যটি যথাযথ মর্যাদা দিয়ে নিজের জমি না থাকলেও অন্যের জমি বর্গা নিয়ে মরিচ চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন কাউনিয়া উপজেলার আফছারা বেগম। উপজেলার মাছহাড়ী গ্রামের আফছার আলীর স্ত্রী তিন সন্তানের জননী আফছারা বেগম। স্বামীর সামান্য আয় দিয়ে তাদের পাঁচজনের সংসারে অভাব ছিলো নিত্যদিনের সঙ্গী। বছর দু’য়েক আগে সুদের উপর টাকা নিয়ে বাড়ির পাশে মাত্র ২৪ শতাংশ জমি বর্গা নিয়ে মরিচ চাষ শুরু করেন আফছারা, সে বছর খরচ বাদে আয় করেন প্রায় ১৫ হাজার টাকা। আর এবছর তিনি আরো কিছু জমি বর্গা নিয়ে মোট ৬০ শতাংশ জমিতে মরিচ চাষ করেন। এবছর মরিচ বিক্রি করে ৪০ হাজার টাকা আয় করবেন বলে তিনি আশা করছেন। আফছারার সাথে কথা বলে জানা যায়, তার স্বামী সারাই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার হলেও বাড়ি-ভিটে ছাড়া তাদের কোন আবাদি জমি নেই। অন্যের জমি বর্গা নিয়ে মরিচ চাষ করে যে টাকা আয় হয় তা দিয়ে বড় ছেলে আরিফুল ইসলামকে এসএসসি পাস করিয়ে হারাগাছ কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি করিয়েছেন। ছোট দুই মেয়ে আশিফা এবং আয়শা বেগমকে বাড়ির পাশে একটি মাদ্রাসায় পড়াচ্ছেন। তিনি বলেন, প্রথমবার মরিচ বিক্রি করে প্রায় ১৫ হাজার টাকা আয় হওয়ার পর এবার ৬০ শতাংশ জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। মরিচ চাষে তেমন কোন রোগ-বালাই না হলেও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সবসময় তাদের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেন। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইয়েদুল ইসলাম বলেন, আফছারা বেগমদের সংসারে অভাব ছিলো নিত্যসঙ্গী । মরিচ চাষ করে এখন বেশ স্বাবলম্বী তারা।