উপজেলার পদ্মা-আড়িয়াল খাঁয় পানি বৃদ্ধিতে ৫টি ইউনিয়নের ব্যাপক এলাকা জুড়ে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। আড়িয়াল খাঁ নদের ভাঙ্গনে চরবলাশিয়া মসিজদ ঘাট এলাকায় গত ৩ দিনে চান্দু মাতুব্বর, জব্বর মাতুব্বর ও কাশেম মাতুব্বরের বাড়িসহ ব্যাপক এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। চরবলাশিয়া, চরনাসিরপুর ও পশ্চিম চরনাসিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরবলাশিয়া লঞ্চঘাট, মকিম খারকান্দি, কাজীকান্দি দুর্বারটেক, চরমানাইর ইউনিয়নের মুন্সীকান্দী, মিয়াকান্দী ও চরঅর্জুলপট্টি গ্রামের ব্যাপক এলাকা জুড়ে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনে শতাধিক বিঘা ফসলের মাঠ, মূল্যবান গাছপালা নদীগর্ভে চলে গেছে। এ ছাড়া চন্দ্রপাড়া এলাকায় আড়িয়াল খাঁ নদের ভাঙ্গন প্রতিরোধ বাঁধের বিভিন্ন স্থান ধসে যাচ্ছে। চরবলাশিয়া এলাকায় নদী ভাঙ্গনের শিকার লোকজন জানান, পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে এসব এলাকার ৫০টি পরিবারের ঘর-বাড়ি হুমকির মুখে। পানি উন্নয়ন বোর্ড গত ৪ বছর যাবত্ ভাঙ্গন প্রতিরোধ বাঁধ ভাটি এলাকা থেকে শুরু করায়, উজানের চরবলাশিয়া মসজিদ, মাদ্রাসাসহ ৫ কিলোমিটার পাকা রাস্তা, লঞ্চঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙ্গন প্রতিরোধ বাঁধের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এলাকাবাসীর দাবী জরুরি ভিত্তিতে পূর্বের ভাঙ্গন রক্ষা বাঁধ থেকে উজানে অন্তত ১ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বালুর বস্তা ফেলা হোক। বালুর বস্তা ফেলা না হলে চন্দ্রপাড়া দরবার শরীফ, চন্দ্রপাড়া বাজার, স্কুল, মাদ্রাসা, ফরিদপুর-বরিশাল বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।
