ভূঞাপুর বিদ্যুত্ সাব-স্টেশনের যে ধারন ক্ষমতা তা দিয়েই গ্রাহকদের মাঝে বিদ্যুত্ সরবরাহ করতে রীতিমত হিমশিম খেতে হয় কর্তৃপক্ষের। তারপরও ওই সাব-স্টেশনের অধীনে মিটার (ইস্টিমেট) বাড়ানো হচ্ছে। এতে করে লাভবান হচ্ছে ভূঞাপুর অফিসের প্রকৌশলী ও কর্মচারীরা। এতে করে বিদ্যুত্ ভোগান্তিতে পড়েছে গ্রাহকরা। গত কয়েকদিনে গড়ে ৪ ঘণ্টাও বিদ্যুত্ মিলছে না। জানা যায়, বাণিজ্যিক ও বাসাবাড়িতে নতুন বিদ্যুত্ সংযোগের জন্য মিটার (ইস্টিমেট) করতে উপজেলা বিদ্যুত্ অফিসের কর্মকর্তাদের বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে। এ বাড়তি টাকা দিলেই মিলছে নতুন সংযোগ। এ নতুন সংযোগের ফলে আরো লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েছে বিদ্যুত্ গ্রাহকরা। ঘুষ গ্রহণের কথা অস্বীকার করে ভূঞাপুর বিদ্যুত্ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান বলেন, সাব-স্টেশনের কোন সমস্যা নেই। টাঙ্গাইল গ্রিড থেকে ৩৩ কেভি লাইনের মাধ্যমে যে বিদ্যুত্ ভূঞাপুরে সরবরাহ করা হয় ওই লাইনের সমস্যার কারণে লোডশেডিং দেখা দেয়।
