বেহাল দশায় নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০১৩, ২১:৪৫
ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, জনবল শূন্যতা আর অব্যবস্থাপনার কারণে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি বেহাল দশায় পড়েছে। দেখার যেন কেউ নেই। ইতিমধ্যে এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের কাজ শুরু হলেও পরবর্তীতে ভবন নির্মাণের কাজ বন্ধ রয়েছে। এতে হাসপাতালের সকল কাজকর্ম পুরাতন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে। পুরাতন ভবনটির পুরোটাই পানি পড়ে স্যাঁতস্যেঁতে হয়ে গেছে। ভবনের প্লাস্টার খুলে যাচ্ছে। ছাদের বিমে ফাটল ধরেছে। পিলারে ভাঙ্গন ধরেছে। ভবন ড্যাম হওয়ার কারণে বৈদ্যুতিক লাইনও নষ্ট হয়ে গেছে। কমপ্লেক্সের মহিলা ওয়ার্ডে রোগির বিছানার উপরে ছাদের নিচে বিমে ফাটল ধরেছে। প্রসূতি কক্ষে পানি পড়ার কারণে শ্যাওলা ধরেছে। ওই ওয়ার্ডে ফ্যান থাকলেও ঘুরে না। রোগিরা বলছেন- এই গরমে ফ্যান না চলার কারণে তারা চরম কষ্ট ভোগ করছেন। একজন সিস্টার জানালেন দেয়ালে পানি ঢোকায় বৈদ্যুতিক লাইন খারাপ হয়ে গেছে। কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাঃ সোলায়মান আলী জানালেন- নানা সমস্যার মধ্যদিয়েও তারা চিকিত্সা সেবা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন- কমপ্লেক্সের ইনডোরে ফ্যান নেই। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন ও ফাটল ধরেছে। নতুন ভবনটির কাজও বন্ধ রয়েছে। চিকিত্সক সংকট তো আছেই। ৩ জন ওয়ার্ড বয়ের স্থলে আছে ১ জন। চিকিত্সকরা এখানে আসলেও কয়েকদিন পরেই অন্যত্র বদলি হয়ে যাচ্ছেন। চিকিত্সকসহ স্টাফদের আবাসিক ভবনের বেহাল দশা। নতুন ভবনের কাজ বন্ধের ব্যাপারে দিনাজপুর জেলা প্রকৌশলী এ.কে.এম মাজহারুল হক জানান, ঠিকাদারের অবহেলার কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে।