যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সফর কর্মসূচিতে অংশ নেয়া পেশাজীবীরা তাদের মেধা বিনিয়োগ করলে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা সম্ভব। তাদের অবদানে বাংলাদেশ হতে পারে এশিয়ান টাইগার। সোনার বাংলাও হতে পারে এদেশ।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের বিভিন্ন সময়ের কর্মসূচিতে অংশ নেয়া বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিদের বার্ষিক সম্মিলনে প্রধান অতিথির ভাষণে গতকাল শনিবার রাষ্ট্রদূত মজীনা এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রাজনীতিক, শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক, ছাত্র, প্রকৌশলী, চিকিত্সক, এনজিও কর্মী, সরকারি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা যোগ দেন। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ইন্টার ন্যাশনাল ভিজিটরস লিডারশিপ প্রোগ্রাম, ফুল ব্রাইট স্কলারশিপ, হিউবার্ট এইচ হামফ্রে ফেলোশিপ, রাইটার্স প্রোগামসহ অন্তত ২০ ধরনের কর্মসূচিতে বাংলাদেশের প্রায় দুই হাজার মেধাবী প্রতিনিধি অংশ নেন। রাষ্ট্রদূত মজীনা মেধাবী পেশাজীবীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এসব ভিজিটর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান সেতুবন্ধনের মহান নির্মাতা। দুই দেশের মধ্যে একটি কার্যকর ও মজবুত সেতুবন্ধন নির্মাণে এরাই নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করছেন। বিভিন্ন বয়স, পেশা ও শ্রেণীর প্রতিনিধি ভিজিটরস কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে একদিকে দুই দেশের সম্পর্কের ভীত তৈরি করেছেন, অন্যদিকে এদেশকে সমৃদ্ধ করতে অবদান রেখেছেন। তাদের রচিত সম্পর্কের দৃঢ় ও মজবুত সেতুর উভয় পাশে বড় ধরনের যানজট তৈরি হয়েছে। যা উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ইঙ্গিত বহন করে। এ ধরনের অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক একটি শক্তিশালী ও সম্ভাবনাময় মাধ্যম হতে পারে।
রাষ্ট্রদূত মজীনা কয়েকজন উল্লেখযোগ্য ভিজিটর হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫২), নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূস (১৯৬৫) ও কিংবদন্তী কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমদের (১৯৯০) নাম উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে আমেরিকান সেন্টারের কর্মকর্তা বিলাওয়াল ফারুকী বক্তব্য রাখেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য কয়েকজন ভিজিটরকে পুরস্কৃত করা হয়। তারা হলেন: মুহাম্মদ ফেরদৌস, মোসাম্মাত্ বদরুন্নেসা, শামির শিহাব, কাজী নাসরিন সিদ্দিকা, মুসতাহসিন ইসলাম, করভি রাকসান্দ ও তানভীর সিদ্দিকী।
