১৮ দল সমর্থিত প্রার্থী অধ্যাপক মান্নান গতকাল দিনভর বিভিন্ন সময়ে নির্বাচনের পরিবেশসহ নানা বিষয় নিয়ে প্রায় ৫০টি অভিযোগ করেছেন। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে- বিকাশ স্কুল খরতৈল কেন্দ্রে এজেন্টদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দেয়া, প্রগতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটারদের টেলিভিশন প্রতীকের কিছু অংশ ছিঁড়ে ব্যালট পেপার দেয়া, পূবাইল রহমানিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা ভোট কেন্দ্রে এ্যাড:আজমত উল্লাহ খানের সমর্থকদের হাতে কালি ও টিপসই ছাড়াই ভোট গ্রহণ করা, কামারঝুড়ি ইউসুফ আলী উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে অধ্যাপক এম এ মান্নানের বিরুদ্ধে লিফলেট বিতরণ, জয়দেবপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ছাত্রলীগের কর্মী কর্তৃক ভোটারদের মারপিট, ইছালি ভোট কেন্দ্রে, কাথুরা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে র্যাব কর্তৃক জাতীয় পরিচয় পত্র ছাড়া ভোটারদের ভোট দিতে না দেয়া, ডেগের চালা কেন্দ্র , অনন্ত মডেল কিন্ডার গার্টেন-২, শরীফপুর স: প্রা: বি:, অনন্ত মডেল কিন্ডার গার্টেন-১ ভোট কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেয়া, পশ্চিম জয়দেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-১, রাণী বিলাস মণি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, রোভার পল্লী উচ্চ বিদ্যালয়, সালনা নাসির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ কেন্দ্রে বিপুল সংখ্যক সাধারণ ভোটার দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ধীরগতির কারণে ভোট দিতে না পারা, টঙ্গী সরকারি কলেজ কেন্দ্রে এ্যাড. আজমত উল্লাহ’র পক্ষে জনৈক মহিলা ৩৬টি ব্যালট পেপার ভোট বাক্সে প্রবেশ করানোর পূর্বে ধরা পড়া, বি এ আর আই উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের লাগালিয়া সরকারি প্রা: বি: ও হারিনাল উচ্চ বি: কেন্দ্রে ভোটারদের ভোট প্রদানে বাধা প্রদান। এছাড়া গাজীপুরা আইডিয়াল স্কুল ভোট কেন্দ্রে নিয়োজিত আনসার ও ভিডিপি’র সদস্যরা কেন্দ্রে আগত ভোটারদের মধ্যে দোয়াত কলম প্রার্থী এ্যাড: আজমত উল্লাহ’র পক্ষে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশ অধ্যাপক মান্নানের পক্ষে মজলিশপুর কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি হাজ্বী শুক্কুর আলী, কামারঝুড়ি ইউছুফ আলী উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত মো: ফারুক হোসেন, আসাদ, মো: শাহিদকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়।
