সবজির পাইকারি বাজারে দরপতন, খুচরাতে কমেনি

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০১৩, ২১:৩৬
পশ্চিমের জেলাগুলোর সবজি হাটগুলোতে কম দামে পটল বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি পটল পাইকারি ৩/ ৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্ষেত থেকে কামলা দিয়ে পটল তুলে ভ্যান ভাড়া দিয়ে হাটে এনে বিক্রির পর চাষির খরচ উঠছে না। গ্রীষ্মকালীন সবজির দরপতন হয়েছে। পাইকারি বাজারে যেহারে দরপতন হয়েছে সে হারে খুচরা বাজারে দাম কমেনি। পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে বড় সবজি বাজার যশোরের বারিনগর। হৈবতপুর গ্রামের সবজি চাষি ইজাজুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবারে এ হাটে প্রতি কেজি পটল পাইকারি ৩/ ৪ টাকা দরে বিক্রি হয়। কামলা দিয়ে ক্ষেত থেকে পটল তুলে ভ্যান ভাড়া করে হাটে এনে ১০ টাকা কেজির কম দরে বিক্রি করলে চাষির লাভ থাকে না। তিনি বলেন, পটল চাষে খরচ বেশি। হাত দিয়ে স্ত্রী ও পুরুষ ফুলের পরাগায়ণ করে দিতে হয়। নইলে পটল ধরে না। একবিঘা জমিতে পটল চাষে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। এত কম দামে পটল বিক্রি করে উত্পাদন খরচ উঠবে না বলে ইজাজুল ইসলাম জানান। শুধু পটল নয়, কাকরোল প্রতি কেজি ৭/৮ টাকা, করলা ৯/১০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৮/১০ টাকা, মিস্টিপুল্লা ৩ টাকা, চিচিঙ্গা ৫ টাকা, বরবটি ৮/১০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হয়। শুধু বেগুনের দাম ছিল প্রতি কেজি ২২/২৩ টাকা। বারিনগর ছাড়াও শেখপাড়া, চড়ুইবিল, শৈলকুপা, ভাটই, নগরবাথান, হলিধানী, ডাকবাংলা, কোটচাঁদপুর, খালিশপুর, বারোবাজার, জীবননগর, আলমডাঙ্গা, গাংনী, মেহেরপুর, মাগুরা, আড়পাড়া, মহম্মদপুর, বিত্তিপাড়া, ঝাউদিয়া প্রভৃতি সবজি হাটে পটল ৪ টাকা থেকে ৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মেহেরপুর সদর উপজেলার উজলপুর গ্রামের চাষি বাবলু মিয়া জানান, খরচ পোষাচ্ছে না বলে তাদের এলাকায় অনেক চাষি ক্ষেত থেকে ঢ্যাঁড়স তুলছে না। প্রতি কেজি মাত্র ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।