রাজধানীর ফকিরেরপুল এলাকার কালভার্ট রোডটি পথচারীদের জন্য বিশেষ নিরাপদ নয়। স্থানীয় এক বাসিন্দা বললেন, এই রোডটি পথচারীদের এড়িয়ে চলাই ভালো। একান্ত দরকার হলে পথচারীদের খুব সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দিলেন তিনি। কারণ এই রোডের অনেক স্থানে ড্রেন স্লাব নেই। একটু অসতর্ক হলে ড্রেনের ভেতর পড়ে যাওয়াটা মোটেও অস্বাভাবিক নয়। গত শনিবারই প্রকাশ্য দিবালোকে রাসেল নামে এক পথচারী এখানে ড্রেনের ভেতর পড়ে যান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাসেলের ভাগ্য ভালো যে, স্থানীয় লোকজন তাকে দেখে ফেলেছিল। নইলে হয়তো তাকে বুড়িগঙ্গাতে গিয়েই খুঁজতে হতো। ড্রেনের স্লাবতো নেই-ই এর ওপর আবার ড্রেনের সব আবর্জনা স্তূপ করে রাখা হচ্ছে রাস্তার পাশেই। দুর্গন্ধে টেকা দায়। ফকিরেরপুল এলাকার ব্যবসায়ী ওমর বলেন, পুরো কালভার্ট রোডটিই এখন ডাস্টবিনে পরিণত। ফকিরেরপুল এলাকার আরেক বাসিন্দা হোসেন আলী জানান, ড্রেনের আবর্জনা তুলে রাস্তার উপর রাখা হচ্ছে। বৃষ্টি হলেই সেই আবর্জনা আবার ড্রেনে গিয়ে পড়ছে। এতে লাভটা কি হচ্ছে? ড্রেনটাতো আবার বন্ধই হয়ে যাচ্ছে। তাহলে কষ্ট করে ড্রেনের আবর্জনা রাস্তার ওপর তোলার কি দরকার?
কালভার্ট রোড এলাকার বাসিন্দা সিতারা বানু বলেন, তার বাসার সামনে তিন মাস ধরে ড্রেনের আবর্জনা তুলে রাখা হয়েছে। দুর্গন্ধে ঘরের দরজা-জানালা খোলা যায় না।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিষয়টি ঢাকা সিটি করপোরেশনকে জানিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না।
অন্যদিকে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি সরাতেই এই স্লাবগুলো সরানো হয়েছিলো; কিন্তু পরে পরিচ্ছন্ন কর্মীরা আর সেগুলো যথাস্থানে না বসানোর ফলে এই সাময়িক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. নজমুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মহানগরীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা সিটি করপোরেশনের অন্যতম দায়িত্ব। তিনি ফকিরেরপুল কালভার্ট এলাকার সমস্যা সম্পর্কে বলেন, এ ব্যাপারে শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
