বগুড়ার দই দইয়ের বগুড়া

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০১৩, ১৮:৫৯
বগুড়া শব্দটা আলোচনায় এলেই চলে আসে আরেকটা শব্দ। দই। বগুড়ার দই। উত্তরবঙ্গের ‘গেটওয়ে’ বলে পরিচিত বগুড়া জেলা। কিন্তু দই কথাটা যেন এই জেলার নামের প্রতিশব্দ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানকার দইয়ের সুনাম দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।বগুড়ায় কেউ বেড়াতে এলে তার যেন দইটা চাইই চাই। এই জেলা থেকে বাইরে বেড়াতে গেলেও তার সঙ্গী হয় দই। তাছাড়া বিয়ের মতো সামাজিক অনুষ্ঠানও দই ছাড়া কল্পনা করা যায় না। অতিথি আপ্যায়নে দই যোগ করাটা এ এলাকার ঐতিহ্যের অংশ।বগুড়ার দইয়ের স্বাদ নিতে যে কেউ আগ্রহী হয়ে ওঠেন। খাওয়ার স্বীকার করেন, অন্য এলাকার দইয়ের সাথে এখানকার দইয়ের স্বাদ অন্যরকম। সেই অন্যরকমটা অবশ্য প্রশংসার দিকেই ঝুঁকে থাকে। মোট কথা, বগুড়া আর দই শব্দগুলো সময়ের হাত ধরে একে অন্যের সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই বগুড়ার দই আর দইয়ের বগুড়া- এই কথাগুলো যেন সমান্তরাল। আন্তরিক এক আত্মীয়তার মুখরোচক শিরোনাম !দইয়ের দিগন্ত আদিঅন্ত্ত:দই বগুড়া অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খাবার। ব্যাপক প্রচলনের কারণে এটি সামাজিকতার অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সময়ের সাথে সাথে বেড়েছে উত্পাদন ও বিপনন, চাহিদা ও জনপ্রিয়তা। দই তৈরির প্রক্রিয়াগত পরিবর্তনও হয়েছে ব্যাপকভাবে। বাানানগত দিক থেকেও ঘটেছে পরিবর্তন। আগে লেখা হতো ‘দৈ’। প্রায় ২শ বছর আগে ঘোষ নামে পরিচিত পরিবারগুলো এই শিল্পের সূচনা করেন।