মা ভবানী মন্দির হতে পারে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০১৩, ১৯:০৬
উপমহাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ৫১টি পীঠস্থানের মধ্যে অন্যতম বগুড়ার শেরপুরের মা ভবানীর মন্দির। প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত এমনকি ভারত,নেপাল, ভুটান,পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও শ্রীলংকা থেকে হাজার হাজার পুণ্যার্থী এখানে আসেন। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এটি দেশের অন্যতম দর্শনীয় স্থান এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে উঠতে পারে। বগুড়া জেলা শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ভবানীপুর গ্রামে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক লীলাভূমিতে ভবানী মন্দির। মন্দিরটির চারদিকে ছোট বড় বেশ কয়েকটি পুকুর দ্বারা বেষ্টিত। কালিকাপুরাণ অনুসারে দক্ষযজ্ঞে দেবী সতীর স্বামীনিন্দা সহ্য করতে না পেরে দেহত্যাগ করেন। সতীর প্রাণহীন দেহ কাঁধে নিয়ে মহাদেব প্রলয় নৃত্য শুরু করেন। সেই মহাপ্রলয় নৃত্য থেকে বিশ্ব ব্রক্ষাণ্ড রক্ষা কল্পে স্বয়ম্ভু বিষ্ণু সুদর্শন চক্র দ্বারা সতীর প্রানহীণ দেহ ৫১টি খণ্ডে বিভক্ত করেন। সেই সব দেহখন্ড বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় পতিত হলে একান্নাটি পীঠস্থানের উদ্ভব হয়। ভবানীপুরে দেবীর দক্ষিণ চক্ষু পতিত হয়েছিল। এই পীঠস্থানে দেবীর নাম অর্পণা (ভবানী) এবং বামন ভৈরব। প্রাচীন এই মহাতীর্থক্ষেত্রের বর্তমান মন্দির অবকাঠামো নাটোরের রানী ভবানী কর্তৃক অষ্টাদশ শতাব্দীতে নিমির্ত হয়। মন্দিরের অবকাঠামো: নাটোরের রানী ভবানী এস্টেষ্ট কর্তৃক দেবোত্তর ১২ বিঘা জমির ওপর ওই মন্দির অবকাঠামো স্থাপিত। সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে মন্দিরের নামে বরাদ্দকৃত দেবোত্তর ভু সম্পত্তি পুকুর জলমহাল ইত্যাদি সবকিছুই ভুলবশত সরকার খাস খতিয়ানে রেকর্ডভুক্ত হয়েছে বলে মন্দির কমিটি সূত্রে জানা যায়। এ ব্যাপারে র্বতমান কমিটি রেকর্ড সংশোধনের জন্য আদালেতে আবেদন করেছেন এবং বর্তমানে বিষয়টি বিচারাধীন আছে।