হায়! কপোতাক্ষ। মাইকেল মধুসূদন দত্ত যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ির কপোতাক্ষের স্রোতধারাকে তুলনা করেছিলেন দুগ্ধ-স্রোতরূপী বলে, সেই কপোতাক্ষ এখন মজা খাল মাত্র! বড় বড় কচুরিপানার ভিড়ে খুঁজে পাওয়া যায় না পানির কিনারা। আবর্জনায় ভরাট হয়ে গেছে সেই বিখ্যাত কপোতাক্ষ নদ। সাগরদাঁড়ির সবকিছুতেই জড়িয়ে আছে কবির শৈশবকালের বিভিন্ন স্মৃতি। ছোট্ট বয়সে কবি কপোতাক্ষের বুক চিরে এপার-ওপার আসা-যাওয়া করতেন। ঘাটের সেই বাদামতলায় নদের সঙ্গে আনমনে কথা বলতেন। কিন্তু সেই কপোতাক্ষের স্রোতধারা আর কি ফিরে পাওয়া যাবে না? কপোতাক্ষ খনন করা গেলে হয়তো আবার ফিরে আসবে তার স্রোতধারা। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
রাজীব পাল রনী, মুন্সীগঞ্জ
