ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল থানা এসআই মাসুদ রানা রিমান্ড সংক্রান্ত আদালতের আদেশ অমান্য করায় তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য হাজতি আসামি সাগরকে রিমান্ডের নেয়ার আবেদন করেন এসআই মাসুদ রানা। গত ১৩ জুন আদালত দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদেশের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও আসামি রিমান্ড না নেয়ায় ২৬ জুন আদালত সাগরের রিমান্ডের আদেশ বাতিল করেন। এর তিনদিন পর আই ও মাসুদ রানা ২৯ জুন আদালতের আদেশ অমান্য করে সাগরকে রিমান্ডে নিয়ে গত ১ জুলাই আদালতে সোপর্দ করেন। ৪ জুলাই আসামি পক্ষের আইনজীবী আদালতের আদেশ অমান্য করায় মাসুদ রানার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুর রহমান সিদ্দিকি মামলার আইও’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ডিআইজি চট্টগ্রাম রেঞ্জ ও পুলিশ সুপার ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে নির্দেশ দেন। অভিযুক্ত এসআই মাসুদ রানা জানান, আমি দ্বিতীয়বারের আদেশের কপি পায়নি। সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উত্তম কুমার চক্রবর্তী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
মাদক সম্পৃক্ততার অভিযোগে
এস.আইসহ ২ জন ক্লোজড
রাজশাহী অফিস জানায়, মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান এবং কনস্টেবল আলামিনকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে উভয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক তদন্তের জন্য রবিবার নির্দেশ দিয়েছে আরএমপি কমিশনার এস.এম. মনির-উজ-জামান। কনস্টেবল আলামিন ডিবি পুলিশের গাড়িচালক।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, রবিবার দুপুরে আরএমপি কমিশনারের এক আদেশে উভয়কে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়। কমিশনারের নির্দেশে তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে।
