চাঁদ দেখা সাপেক্ষে সারাদেশের মানুষের আগামী বুবধবার রোজা পালনের জন্য সেহেরি খাওয়ার কথা থাকলেও দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, পটিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী উপজেলার প্রায় ২০ গ্রামে অনেক মানুষ আজ মঙ্গলবার থেকে রোজা রাখার জন্য সোমবার সেহেরি খান। দক্ষিণ চট্টগ্রামের অন্যতম ছুফি সাধক হযরত আলহাজ্ব মাওলানা আরিফুল হাই (রা.) এর মুরিদান সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা ২শ বছর আগে থেকেই সৌদি আরবের সময়ানুযায়ী একদিন আগে রোজা এবং ঈদ পালন করে থাকেন। মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারী চন্দনাইশ উপজেলার নগরপাড়া, কাঞ্চনাবাদ, আফজল নগর (ছুফিবাড়ি), কাঞ্চননগর, বৈলতলী, বরমা ও বরকল, সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল, সোনাকানিয়া, গারাঙ্গিয়া ও গাটিয়াডাঙ্গা, লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান ও চরম্বা, বাঁশখালী উপজেলার জালিয়াপাড়া, ছনুয়া, মক্ষিরচর ও কালিপুর, পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও, বাহুলী ও ভেল্লাপাড়াসহ ২০ গ্রামের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ আজ মঙ্গলবার থেকে রোজা পালন করবেন। এ ব্যাপারে মির্জাখীল দরবার শরীফের গদিনাসীন পীর মাওলানা আবদুল হামিদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সোমবার সেহেরি খাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা যেহেতু সৌদি আরবের দিনক্ষণ অনুসরণ করে রোজা রাখি সে কারণে খবর নিয়ে জানতে পারি সৌদি আরবের লোকেরা সোমবার মধ্য রাতে সেহেরি খাবেন সুতরাং আমরাও রোজা পালনের জন্য সেভাবে সেহেরি খাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
