বর্ষার গল্প

আপডেট : ০৯ জুলাই ২০১৩, ১৮:৩৯
সদস্য নম্বর: ৭৬৯ গ্রীষ্ম বলে যাই যাই, বর্ষা বলে আসি। হ্যাঁ, প্রকৃতির দিকে তাকালে আমরা বুঝতে পারি, বর্ষাকাল এসেছে। বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে গাছপালা সবুজ ও সতেজ হয়। গাছে গাছে কদম ফুল ফোটে। পাখি গান গায়। কয়েকদিন পূর্বে যেখানে খেলার মাঠ, ফসলের ক্ষেত ছিল, আজ সেখানে শুধুই পানি। বর্ষাকালে বড় চাচা, আব্বু আমাদের গ্রামে বেড়াতে নিয়ে যান। আমরা ভাই-বোনেরা বর্ষার পানিতে সাঁতার শিখি, গোসল করি আর ছড়া কাটি। আমাদের দেশে বর্ষকালে প্রচুর ইলিশ মাছ পাওয়া যায়। বৃষ্টির তালে তালে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ মাছ ধরা পড়ে। আম্মু, বড় চাচী ইলিশ মাছের বিভিন্ন পদ রান্না করেন। ‘চাচী রাধলেন ইলিশ পোলাও, আরও কত কী?’ আমরা বড় নৌকা করে নৌকা বাইচ দেখতে যাই। সেখানে ছোট ছোট নৌকায় লোকজন বিভিন্ন বাহারি পণ্য বিক্রি করতে আনে। কোন নৌকায় মাটির তৈরি খেলনা, পুতুল, কোনটায় খই, মুড়ি, বাতাসা, মিষ্টি, আবার কোন নৌকায় চুড়ি, গয়না। নৌকা বাইচ দেখতে দেখতে আব্বু আমাদেরকে চুড়ি, মাটির তৈরি গয়না কিনে দেন। বড় চাচু খই, মুড়ি ও মিষ্টি কিনেন। সামনের দিকে তাকাতেই অদ্ভুত একটি নৌকা দেখতে পাই। যার গলুই দুইটি ময়ূর আকৃতির। বৈঠাগুলো বিভিন্ন রঙে রঙিন। নৌকার মানুষগুলো রং মেখে সং সেজেছে। দেখলেই হাসি পায়। বর্ষাকাল শুধু আনন্দ বয়ে আনে তাই নয়। অতি বৃষ্টিতে বন্যা হয়। ঘর-বাড়ি, ফসল নষ্ট হয়। রাস্তাঘাট ভেঙে যায়। দিনমজুররা কাজ করতে পারে না। তাদের কষ্ট হয়। বর্ষাকালে বিলে-ঝিলে প্রচুর শাপলা ফুল ফোটে। দেখলে মন ভরে যায়। সাউথ পয়েন্ট স্কুল এন্ড কলেজ দ্বিতীয় শ্রেণি